নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে
৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের
পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’
প্রেমের ফাঁদে ফেলে পর্নোগ্রাফি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল: চট্টগ্রামে শিবির নেতা গ্রেপ্তার
হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪
পাঁচতারকা বারে মদ্যপান শেষে এনসিপির পদপ্রত্যাশী নারী নেত্রীকে কেন্দ্রীয় নেতার যৌন হয়রানি
আ.লীগ ও জাপার ৯ নেতা কারাগারে
বরিশালে পৃথক দুটি রাজনৈতিক মামলায় রাজনীতি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির (জাপা) ৯ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। উচ্চাদালতের জামিন শেষে রোববার (০২ নভেম্বর) বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।
এ সময় প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নাসরিন জাহান জামিন না মঞ্জুর করে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া নেতারা হলেন বরিশালের হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বড়জালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন পন্ডিত, ইউপি সদস্য মোশারেফ তালুকদার ও ইলিয়াস মেলকার, যুবলীগ নেতা কাজী লিয়াকত হোসেন এবং হুমায়ন কবির।
এ ছাড়া গণধিকার পরিষদ নেতার মামলায় কারাগারে যাওয়া জাপা নেতারা হলেন আক্তার রহমান সপ্রু, রফিকুল ইসলাম গফুর, নজরুল ইসলাম ও মো. জুম্মান।
মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম জানান, গত ২০ জুলাই হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতংক সৃষ্টির অভিযাগে একটি মামলা করা হয়। মামলার আসামি হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতারা উচ্চাদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। মেয়াদ শেষে আদালত হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। বিচারক আবেদন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।
অপরদিকে, গত ৩১ মে বরিশাল নগরীতে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল বের করে। মিছিলে প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কটূক্তি করে। ঘটনাস্থলে থাকা গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সরকার বিরোধী স্লোগান না দেওয়ার অনুরোধ করে। তখন জাতীয় পার্টির নেতারা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে গণঅধিকার নেতাকর্মীদের আহত করে।
এ ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের মহানগরের সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে জাতীয় পার্টির নেতারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেয়। জামিনের মেয়াদ বাড়াতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মহসিন উল ইসলাম হাবুলসহ ৫ নেতা আদালতে হাজির হয়।
বিচারক মহসিন উল ইসলাম হাবুলের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং অপর চারজনের আবেদন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।