নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাঁদে অভিযান শেষ করে পৃথিবীতে ফিরলেন আর্টেমিস-২-এর নভোচারীরা
আর্টেমিস চন্দ্রাভিযানে যেসব খাবার নিয়ে গেছেন নভোচারীরা
১০০০ ফলোয়ার থাকলেই ইনস্টাগ্রাম থেকে আসবে আয়, জানুন উপায়
ফোনের ব্যাটারি বাঁচাতে গুগলের নতুন উদ্যোগ
ইরানের লক্ষ্য মার্কিন টেক সংস্থা
ব্যাটারি যেভাবে সাশ্রয় হবে
কে হচ্ছেন অ্যাপলের পরবর্তী সিইও?
অ্যাপল কোম্পানির নেতৃত্বে নতুন মুখ
অ্যাপলের দীর্ঘদিনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) অ্যাপল জানায়, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কোম্পানির নতুন সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেবেন প্রতিষ্ঠানটির হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জন টার্নাস।
টিম কুকের স্থলাভিষিক্ত হতে যাওয়া টার্নাস ২৫ বছর ধরে অ্যাপলে কাজ করছেন। আর এতদিন প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব সামলে আসা টিম কুক হবেন কোম্পানির এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান। ১৫ বছর ধরে কোম্পানির নেতৃত্ব দেওয়ার পর তিনি ওই পদ থেকে সরে যাচ্ছেন।
অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস মৃত্যুর কিছুদিন আগে স্বাস্থ্যগত কারণে সিইওর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। সেই ২০১১ সাল থেকে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন কুক।
টার্নাসের সঙ্গে পালাবদলের কাজ গুছিয়ে নিতে কুক গ্রীষ্মজুড়ে প্রধান নির্বাহী হিসেবে থাকবেন। এরপর তিনি ‘কোম্পানির নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে সহায়তা করবেন, যার মধ্যে বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার বিষয় রয়েছে।
অ্যাপল একজন উত্তরসূরি খুঁজছে—এমন গুঞ্জন কয়েক মাস ধরে চলার পর কুকের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এল।
তিনি এ দায়িত্বকে ‘জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সুযোগ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। নিজের কার্যকালে অ্যাপলকে বিশ্বের অন্যতম দামি কোম্পানিতে পরিণত করেছেন কুক।
২০১৮ সালে অ্যাপল প্রথম পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্যের মাইলফলক স্পর্শ করে। বর্তমানে এর বাজারমূল্য ৪ ট্রিলিয়ন ডলার।
কুক নতুন সিইও টার্নাসকে একজন ‘স্বপ্নচারী’ নির্বাহী হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যার রয়েছে একজন প্রকৌশলীর মন, একজন উদ্ভাবকের আত্মা এবং সততা ও সম্মানের সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ার হৃদয়। অ্যাপলকে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি নিঃসন্দেহে সঠিক ব্যক্তি।
দীর্ঘদিনের আরেক নির্বাহী জেফ উইলিয়ামস গত বছর কোম্পানি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর কুকের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে টার্নাস এগিয়ে যান।
অ্যাপলে সিকি শতাব্দীর ক্যারিয়ারে টার্নাস কোম্পানির প্রতিটি বড় প্রডাক্টে কাজ করেছেন, যার মধ্যে আইপ্যাডের প্রতিটি জেনারেশন, আইফোনের অনেক জেনারেশন এবং নতুন এয়ারপডস ও অ্যাপল ওয়াচ রয়েছে।
ম্যাক কম্পিউটার প্রসেসরগুলোকে অ্যাপলের নিজস্ব সিলিকনে রূপান্তরের বিষয়টিও তত্ত্বাবধান করেছেন তিনি।
অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের অধীনেও কাজ করেছেন টার্নাস। তিনি সোমবার এক বিবৃতিতে কুককে তার ‘পথপ্রদর্শক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আগামী বছরগুলোতে আমরা কী অর্জন করতে পারি, সে সম্পর্কে আমি আশাবাদী।
সূত্র: বাসস

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।