২৬ টুকরো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দুইজনের জবানবন্দি – বর্ণমালা টেলিভিশন

২৬ টুকরো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দুইজনের জবানবন্দি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ November, ২০২৫ | ৬:৪৯ 114 ভিউ
রাজধানী ঢাকার হাইকোর্ট মাজারের পাশ থেকে ড্রামের ভেতর উদ্ধার হওয়া ব্যবসায়ী আশরাফুল হক (২৬ টুকরো মরদেহ) হত্যা মামলায় তাঁর বন্ধু জরেজুল ইসলাম ওরফে জরেজ এবং শামীমা আক্তার আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) ঢাকার দুই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আবদুল ওয়াহাব ও মাসুম মিয়া পৃথকভাবে তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। গত ১১ নভেম্বর নিহত আশরাফুল হক তাঁর প্রবাসী বন্ধু জরেজুলকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা যান। এর দুই দিন পর বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হাইকোর্ট মাজারের পাশে দুটি নীল ড্রামের ভেতর থেকে আশরাফুলের ২৬ টুকরো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত হয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, পাঁচ দিনের রিমান্ডে থাকা অবস্থায় দুই আসামি দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে রাজি হন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ) তাঁদের আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। সিএমএম আবদুল ওয়াহাবের আদালত আসামি জরেজুলের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। সিএমএম মাসুম মিয়ার আদালত আসামি শামীমা আক্তারের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। গত ১৪ নভেম্বর নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে বন্ধু জরেজসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের নামে মামলা দায়ের করেন। এরপরই প্রধান আসামি জরেজ ও তাঁর প্রেমিকা শামীমাকে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় হত্যায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ আলামতও জব্দ করা হয়। ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আশরাফুল হক ও আসামি জরেজ ছিলেন বাল্যবন্ধু। জরেজুল মালয়েশিয়ায় থাকতেন এবং সম্প্রতি দেশে ফিরে জাপান যাওয়ার জন্য আশরাফুলের কাছে ২০ লাখ টাকা ধার চেয়েছিলেন। এই টাকা দেওয়ার জন্যই আশরাফুল বন্ধু জরেজকে নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই আর্থিক লেনদেন বা ধার চাওয়ার বিষয়টিই শেষ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান, ১৯৯ বাংলাদেশিসহ আটক ৬৩০ অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য ৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার সাগরে বসানো লাইটিং সিস্টেমে হানা প্রবৃদ্ধি আরও কমবে বাড়বে মূল্যস্ফীতি ফাঁকা শাহজালালের বহির্গমন টার্মিনাল কাজ করেনি সতর্কবার্তা সৌদিতে নতুন হামলা বিদ্যুৎ উৎপাদনে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি রূপপুরে সোমবার বন্ধ থাকবে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসে ঢাকাসহ দেশজুড়ে স্মরণানুষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা কারাগার থেকে পালানো জঙ্গিদের নিয়ে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘ইতেহাদুলউম্মাহ’, নিরাপত্তা উদ্বেগ ‘হেনস্তা নয়, ইউনূসের কাছে জবাব চেয়েছি’, দাবি বিক্ষোভকারীর ঋণমানের আউটলুক নেতিবাচক, নতুন বিদেশি বিনিয়োগে ভাটা; ব্যাংকঋণ ও বিদেশি ঋণনির্ভর হচ্ছে সরকার গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রায়ে চাপে ইউনূসঃ ক্ষমতায় থাকতে গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানকে কর ছাড় ও ব্যবসার লাইসেন্স দেওয়া নিয়ে উঠছে স্বার্থের দ্বন্দ্বের প্রশ্ন যশোরে বাড়ির সামনে ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধ, লাঠির আঘাতে আহত শিল্পী সমু চৌধুরী ​চট্টগ্রামে কিশোরদের পর্ন বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও যৌন নিপীড়ন: যুবদল নেতা নুরুর ভয়াবহ অপরাধ উন্মোচিত নোবেল জয়ের ২০ বছরে ইউনূস: অভিনন্দনের দিনেও হামে শিশুমৃত্যু থামেনি, সরকারি হিসাবেই ১,১৭০ ছাড়ালো শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কর্ণফুলী টানেল যেভাবে অকার্যকর করা হলো, ৩৩৬ কোটি টাকার বিকল্প সড়ক নির্মাণ- কেন? বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে আবার লুকোচুরি বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়? তারেক রহমানকে নিয়ে মন্তব্য করলেই গ্রেপ্তার—উঠছে অধিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার প্রশ্ন