নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পুলিশের শার্ট কেন আসামির পরনে- প্রশ্ন করায় মিলল অদ্ভুত উত্তর
অর্থমন্ত্রী: বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই
গ্রামের রাস্তা মেরামতে ৮০টি কম্পিউটার, ৩০ লাখের সফটওয়্যার: পরামর্শকের ১৪ কোটি, লাগবে ১৪০টি বাইক-জিপ
বিদ্যুৎহীন চমেক হাসপাতালে স্থবির চিকিৎসা, দুর্ভোগে রোগীরা
গুলিস্তানে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ‘দরবেশ চক্র’: দফায় দফায় টাকা দিয়ে বিপর্যস্ত ব্যবসায়ীরা
রূপপুরের শুধু প্রথম ইউনিট থেকেই রাষ্ট্রের সাশ্রয় হবে ১০০ কোটি ডলারের বেশি
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত জারদারি, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ
সাতক্ষীরায় মাছের ঘেরে মিলল শিবির কর্মীর বিবস্ত্র মরদেহ, হ্যাকস ব্লেড ও বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার
সাতক্ষীরা সদরে একটি মাছের ঘের থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রড কাটার দুটি হ্যাকস ব্লেড, একটি মোবাইল ফোন এবং পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ হাজার ভোল্টের কাটা তার উদ্ধার করা হয়।
আজ ২০শে জুলাই, সোমবার সকালে উপজেলার মাগুরা-কৈখালী বিলে কেসমত আলীর মাছের ঘের থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মুহা. মাসুদুর রহমান।
নিহত মো. সুমন (৩৫) কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি পেশায় মাইক্রোবাস চালক ছিলেন। লাবসা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর নেতা মনোয়ার হোসাইন মোমিনের গাড়ি চালাতেন। ছাত্রজীবনে গুপ্ত সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের তুখোড় কর্মী ছিলেন। স্থানীয় জামায়াত নেতাদের সাহচর্যে ছিলেন তিনি।
জামায়াত নেতা মনোয়ার হোসাইন মোমিন জানান, সুমন তার ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি চালাতেন। অসুস্থতার কারণে ৪ দিন আগে ছুটি নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। সকালে তিনি জানতে পারেন সুমনকে কারা যেন হত্যা করে ঘেরে ফেলে রেখেছে।
ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, সকাল ৬টার দিকে কেসমত আলী তার ঘেরের লাইট বন্ধ করতে গিয়ে এক যুবকের বিবস্ত্র লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। তাৎক্ষণিক তিনি বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামবাসীদের খবর দেন। গ্রামবাসীরা এসে লাশটি সুমনের বলে শনাক্ত করেন।
এ সময় ঘের থেকে রড কাটার দুটি হ্যাকস ব্লেড, একটি বাটন মোবাইল ফোন (সিমবিহীন), সিগারেটের প্যাকেট এবং পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ হাজার ভোল্টের কাটা তার উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।
শিবির কর্মী সুমনের বোন রেশমা খাতুন জানান, রোববার রাতে খাওয়া শেষে তার ভাই মোবাইলে কল পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন। তারা মনে করেন বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখতে গেছেন। ভোরে ঘরের দরজা খোলা দেখে ভিতরে গিয়ে দেখা যায় সুমন নেই। মোবাইলে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “কিছুক্ষণ পর প্রতিবেশীরা জানান ঘেরে একজনের লাশ পাওয়া গেছে। এরপর জানতে পারি লাশটি ভাইয়ের। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, ভাইয়ের পরনের পোশাক নেই। এ ছাড়া মোবাইল ফোনটিও পাশে পড়ে ছিল; তবে সিম নেই।”
সুমনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘাতকরা লাশ ফেলে রেখে গেছে বলে দাবি বাবা আব্দুল হামিদের।
ওসি মাসুদুর বলেন, লাশ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।