অনুমতি ছাড়াই ভাঙা হলো সেতু: রাজাপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কাণ্ডে বিচ্ছিন্ন ৪ গ্রাম – বর্ণমালা টেলিভিশন

অনুমতি ছাড়াই ভাঙা হলো সেতু: রাজাপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কাণ্ডে বিচ্ছিন্ন ৪ গ্রাম

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ August, ২০২৬ | ৫:০৩ 61 ভিউ
ঝালকাঠির রাজাপুরে দাপ্তরিক কোনো অনুমতি ছাড়াই এবং জনগণের চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না করে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ আয়রন ব্রিজের লোহার মালামাল তুলে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সাতুরিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মামুন আকনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের বাধার মুখে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সেতুর বীম ও মালামালের তালিকা (সিজার লিস্ট) তৈরি করে জিম্মায় নিয়েছে। গত ২১ আগস্ট উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর তারাবুনিয়া এলাকার এদবর খালের ওপর থাকা পুরোনো আয়রন ব্রিজটির বীমসহ বিভিন্ন মালামাল খুলে নেওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেন। সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে উত্তর তারাবুনিয়াসহ আশপাশের প্রায় চারটি গ্রামের কয়েকশত মানুষের চলাচলের অন্যতম মাধ্যম ছিল। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, নারী ও বৃদ্ধসহ নানা পেশার মানুষ এই সেতু দিয়ে পারাপার হতেন। পুরোনো সেতুর কিছু স্লাব ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়রা এতদিন সেখানে সুপারি গাছ ফেলে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছিলেন। তবে কোনো বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা না করে এক রাতে ব্রিজের মূল অবকাঠামো খুলে নেওয়ায় বর্তমানে চার গ্রামের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মামুন আকন জানান, “সেতুর মালামাল তুলেছি পরিষদে জমা দেওয়ার জন্য। ইউপি চেয়ারম্যান ও নারী ইউপি সদস্যের অনুমতি নিয়েই মালামাল তুলেছি।” বিনা অনুমতিতে এটি কেন করা হলো—প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, এলাকাটিতে তিনি সামাজিক কাজ করেন বলে এমনটা করেছেন। তবে তার দাবিকে পুরোপুরি সত্য নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন সাতুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাঈনুল হায়দার নিপু। তিনি বলেন, “আমি কাউকে ব্রিজের বীম ও মালামাল তুলে নেওয়ার অনুমতি দিইনি। সরকারি স্থাপনার মালামাল সরাতে হলে পরিষদের রেজুলেশন লাগে। মানুষের বিকল্প ব্যবস্থা না করে মালামাল খুলে নেওয়ার কোনো অধিকার তার নেই।” এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রতন দেবনাথ স্পষ্ট করেন যে, দল এসব কর্মকাণ্ডকে মোটেও সমর্থন করে না। অপরাধ প্রমাণিত হলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে রাজাপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী এস এম জিয়াউল হক জানান, মালামাল সরানোর পূর্বে কোনো দাপ্তরিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে সিজার লিস্ট তৈরি করে মালামালগুলো স্থানীয় গ্রাম পুলিশ হেমায়েতের জিম্মায় ইউনিয়ন পরিষদে রাখার ব্যবস্থা করেছেন। রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি জানান, বিষয়টির তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৯০ হাজার উদ্যোক্তাকে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ