নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পথে পথে ভাড়া নৈরাজ্য
লঞ্চের ভাড়া ৬০% বাড়ানোর দাবি
রেলে ব্যয় বাড়ল বাড়বে লোকসান
বিদেশগামী শ্রমিকদের কল্যাণ ফি বাড়ল
কল্যাণ ফি বাড়ল সাড়ে পাঁচ হাজার, শ্রমিকের টাকার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন
পরিকল্পনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে শুরু নারীবান্ধব ‘গোলাপি’ বাস সার্ভিসঃ এক মাসেও মেলেনি নারীদের সাড়া
রিটেনে পাস করলে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে আসবা, ফোন করে দেব: ফজলুর রহমান
বিনা আমন্ত্রণেই বিদেশে যাবার পথে দিল্লি থেকে ঘুরে যেতে চেয়েছিলেন ড. ইউনূস
প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের দিকে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাকে কোথাও যাওয়ার পথে দিল্লি ঘুরে আসার পরামর্শ দেন।
তবে তৌহিদ হোসেন তখন জানিয়ে দেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ ছাড়া তার (ইউনূসের) পক্ষে দিল্লি গিয়ে সাক্ষাৎ করা ঠিক হবে না।
তিনি এই যুক্তিও দেন যে, শুধু ভারত সরকার নয়, দেশটির একটি অংশের মধ্যেও বাংলাদেশবিরোধী মনোভাব এবং আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থন প্রবল থাকায় অনর্থক দিল্লি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ড. ইউনূস তার এই যুক্তি মেনে নিয়েছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন প্রথম আলোতে এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফোনে নরেন্দ্র মোদির সাথে কথা বলেছেন এবং তিনি আগ্রহী ছিলেন ভারত সফরে যেতে। তবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা পরামর্শ দেন এভাবে কোন রাষ্ট্রের অনুমতি ছাড়া সরাসরি ভারত চলে যাওয়াটা শোভনীয় হবে না।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ড. ইউনূসের বিভিন্ন মন্তব্যে, বিশেষ করে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে মন্তব্যে ভারত বেশ আপত্তি জানিয়েছিল। এবং ড. ইউনূসের আমলেই উপদেষ্টাদের মাঝে ভারত বিদ্বেষ বেশ লক্ষনীয়ভাবে প্রকাশিত হয়।
এমতাবস্থায়, ভিতরে ভিতরে ইউনূসের ভারত যাওয়ার আগ্রহ সম্পর্কিত তৌহিদ হোসেনের মন্তব্য রাজনৈতিক পরিমন্ডলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন আরও জানান, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ভারতের কাছ থেকে দ্রুত উষ্ণ সাড়া পাওয়া যায়নি এবং ড. ইউনূসকে স্বাগত জানানোর বার্তাও চীন বা অন্য দেশের তুলনায় অনেক দেরিতে এসেছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ড. ইউনূসের প্রথম ফোনালাপের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকেই উদ্যোগ নিতে হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তৌহিদ হোসেন সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তার দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা, তিন দফায় পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ, একটি “কিচেন ক্যাবিনেট”-এর অস্তিত্ব সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়েও কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা প্রথম দিকে হলেও তা ব্যর্থ প্রয়াস বলে প্রতীয়মান হয়েছিল বলে তার অভিজ্ঞতা।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]