কোটচাঁদপুরের ডেপুটি রেঞ্জার শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ – বর্ণমালা টেলিভিশন

কোটচাঁদপুরের ডেপুটি রেঞ্জার শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ July, ২০২৬ | ৫:২৫ 88 ভিউ
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে সরকারি বনায়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, নিয়মিত অফিস না করা এবং অফিস স্টাফদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগ। অনুপস্থিতি ও বরাদ্দহীন বাসস্থান ব্যবহার অভিযোগ অনুযায়ী, শফিকুল ইসলাম বিভিন্ন উপজেলার বনায়ন পরিদর্শনের কথা বলে অফিসে না এসে সময় পার করেন। তিনি কোটচাঁদপুর, মহেশপুর ও কালীগঞ্জ উপজেলার বনায়ন প্রকল্পের দায়িত্বে থাকলেও এই তিন উপজেলায় দৃশ্যমান তেমন কোনো বড় সামাজিক বনায়ন প্রকল্প নেই বলে জানা গেছে। এছাড়া বন বিভাগের নির্দিষ্ট কোয়ার্টার থাকা সত্ত্বেও তিনি অফিস ভবনের দোতলায় বরাদ্দবিহীনভাবে নিজের ও পরিবারের জন্য স্থায়ী বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করছেন, যার ফলে সরকারি পানি ও বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে। তার জন্য নির্ধারিত কোয়ার্টারে তিনি না থেকে সেখানে অফিসের এক কর্মরত মালিকে রেখেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাস বাণিজ্য ও অবৈধ করাতকল থেকে চাঁদাবাজি অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বনজ দ্রব্য পরিবহন ও ট্রান্সপোর্ট পারমিশন (টিপি) পাসের জন্য সরকারি বিধানে কোনো ফি নির্ধারিত নেই। তা সত্ত্বেও শফিকুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে প্রতিটি পাসের জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যার জন্য তার একটি নিজস্ব সিন্ডিকেট কাজ করে বলে জানা গেছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকায় শতাধিক অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন করাতকল (স-মিল) থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করেন তিনি, যার ফলে অবৈধ করাতকলের সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে এবং বনজ ও ফলদ গাছ নির্বিচারে উজাড় হচ্ছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বন কর্মকর্তারা এসব করাতকলের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন না বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। নতুন করাতকলের লাইসেন্স পেতে হলেও ঘুষ দিতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পে অনিয়ম ও নার্সারির চারা বিক্রি সামাজিক বনায়নের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি তহবিল ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অনিয়মের অভিযোগ আছে। গাছ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের লভ্যাংশ প্রদানের ক্ষেত্রেও তিনি নানা জটিলতা তৈরি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও অভিযোগ অনুযায়ী, নার্সারি থেকে ভাউচারবিহীনভাবে গোপনে বিভিন্ন চারা বিক্রি করে থাকেন তিনি, এবং পরবর্তীতে সেই চারাগুলো বিভিন্ন সরকারি অফিসের প্রকল্পের অধীনে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে বলে দেখানো হয়। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি রেঞ্জার শফিকুল ইসলাম বলেন, “সরকারি অফিস শতভাগ সঠিক চালানো কঠিন, এখানে সবাইকে নিয়ে চলতে হয়। আপনারা সবই বুঝেন, এতো কথা বলে লাভ কি? আসেন বসেন, চা-নাস্তা খেয়ে নিউজ করে। আপনি কি একা দেশ ভালো করতে পারবেন? তাহলে লেখেন।” এ বিষয়ে যশোরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অমিতা মণ্ডলের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৯০ হাজার উদ্যোক্তাকে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ