নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রংপুরে শিক্ষক পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিবৃতি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের
তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামে কৃষকবিদ্রোহ: গোডাউন ভেঙে নিল ১০ হাজার কেজি সার
কোটচাঁদপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের রামদার কোপে ভাই নিহত
প্রধান অতিথি না করায় নিজেই ১৪৪ ধারা ডেকে ছাত্রদল নেতা পণ্ড করলেন ৬০ বছরের ফুটবল টুর্নামেন্ট
অনুমতি ছাড়াই ভাঙা হলো সেতু: রাজাপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কাণ্ডে বিচ্ছিন্ন ৪ গ্রাম
চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে হিমাগারে পচছে বিপুল পরিমাণ আলু, গাড়ি ভরে ফেলে দিতে হচ্ছে প্রতিদিনই
প্রকৃত ইমাম-খাদেমদের বাদ দিয়ে তালিকায় ঢোকানো হলো জামায়াত-শিবির কর্মীদের নাম
উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রের ওপর হামলা
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডে জনৈক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় প্রতিবাদ করায় ভোলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. মামুনকে (২৫) রড দিয়ে পিটিয়ে মাথায় মারাত্মক জখম করেছে মো. শামিম নামে এক যুবক।
গত বুধবার সন্ধ্যায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। সোমবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে মামুনের পরিববার জানায়, আহত কলেজ ছাত্র মামুনকে উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে পরে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসেবা দেওয়া হয়।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়মানিকা ১নং ওয়ার্ডের জনৈক এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন পাশের এলাকা কুড়ালিয়া ৪নং ওয়ার্ডের মো. রুহুল আমিন বাড়ইয়ের ছেলে মো. শামিম। ওই স্কুলছাত্রী ভোলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মামুনের চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে হওয়ায় মেয়ের ভাইয়ের সাথে ওই ঘটনার প্রতিবাদ করেন।
ওই ঘটনার জের ধরে দীর্ঘদিন পর মামুনকে একা পেয়ে শামীম রাতের আঁধারে সন্ত্রাসী কায়দায় রড দিয়ে পিটিয়ে মাথায় আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। আহত শিক্ষার্থী মামনুকে উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসা শেষে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
মামুন বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে। এ হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
এ ব্যাপার আহত কলেজছাত্র মো. মামুন বলেন, পাশের এলাকার শামীম আমাদের বাড়ির ওপর ভাতিজি স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে। ওই ঘটনায় মেয়ের ভাইয়ের সাথে আমি প্রতিবাদ করি। ওই সময় ছেলেটি স্কুলছাত্রীকে আর বিরক্ত করবে না বলে পারিবারিকভাবে প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে ঘটনার সমাধান হয়। এ ঘটনার জের ধরে মো. শামীম বাড়ইসহ অনেকে আমাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য বুধবার রাতে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে মারাত্মক জখম করে।
আহত মামুন আরও বলেন, আমার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে আমার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত ডাক্তার ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
এ ব্যাপার হামলাকারী শামীমের ভাই আব্দুস সালাম জানান, আমি ঢাকায় আছি। আমার ভাইকে আগে মারধর করা হয়েছে। এ হামলার ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, পারিবারিক এ ঘটনায় মীমাংসের চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, এ ঘটনায় এখনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
