বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে? – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ৩১ January, ২০২৬
৭:১১ am
138 ভিউ

আরও খবর

অ্যাডভোকেট পাপিয়া: মমতা-রাহুল কিংবা মোদি সবাই শেখ হাসিনার নিরাপত্তার ব্যাপারে একমত

ওবায়দুল কাদের: শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে মরিয়া হয়ে বিদেশিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপি

নকল টিভিসহ বিভিন্ন ধান্দায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে পলাতক গুপ্ত সংগঠন শিবির নেতা এক যুগ পর গ্রেপ্তার

জামায়াত নেতাদের হাত ধরে সংসদে যেতে চান হিন্দু নেতারা, মন্দিরের সুরক্ষায় জামায়াতের প্রশংসা

এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল বিস্ফোরণ

বিশ্বের যে প্রান্তেই যাবে ইউনূস, নিজের কুকর্মের জন্য অপমানিত হবে: ওবায়দুল কাদের

কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ভাঙচুর

বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ January, ২০২৬ | ৭:১১ 138 ভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতি এখন আর কেবল দলীয় প্রতিযোগিতার ভেতরে সীমাবদ্ধ নেই। আওয়ামী লীগ অনুপস্থিত এমন এক নির্বাচনি বাস্তবতায় ভোটের মাঠ ক্রমেই পরিণত হচ্ছে সংঘাতের ময়দানে—যেখানে সম্ভাব্য ক্ষমতাসীন দল হিসেবে বিবেচিত বিএনপি একের পর এক প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। তিন দশকের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে শুরু হওয়া টানাপোড়েনের রেশ কাটতে না কাটতেই স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এসব ঘটনায় বিএনপি যেমন রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়ছে, তেমনি নির্বাচনি পরিবেশ নিয়েও বাড়ছে অনিশ্চয়তা। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এসব সংঘর্ষকে শুধু বিচ্ছিন্ন বা তাৎক্ষণিক উত্তেজনা হিসেবে ব্যাখ্যা করা কঠিন। বরং নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক মাঠে শক্তির ভারসাম্য বদলে যাওয়ার একটি চাপা প্রবণতা এখানে কাজ করছে—যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভোটার উপস্থিতি ও নির্বাচনি পরিবেশের ওপর। শেরপুরের সংঘাতে মৃত্যুর ঘটনা: কাকতাল নয়, একটি সতর্ক সংকেত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত এক সরকারি অনুষ্ঠানে চেয়ার বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনা প্রথমে স্থানীয় উত্তেজনা বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটে, যখন দেশজুড়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে নির্বাচনি প্রস্তুতির কার্যক্রম চলছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রশাসনের আয়োজিত কর্মসূচিতেই যদি দলীয় সংঘাত এড়ানো না যায়, তবে নির্বাচনি মাঠে সহিংসতার ঝুঁকি যে বাড়ছে—তা স্পষ্ট। পুলিশ, প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার উপস্থিতির মধ্যেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকা প্রশ্ন তুলছে, এই সংঘাতগুলো কতটা আকস্মিক এবং কতটা পূর্বানুমেয়। এই ঘটনায় বিএনপি সরাসরি কোনো সংগঠিত সহিংস পরিকল্পনার অভিযোগে না পড়লেও, রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটি এমন এক সংঘাতের মধ্যে পড়ে যায়, যার দায় ও অভিঘাত উভয়ই তাদের ওপর এসে পড়ে। জামায়াতের পর এনসিপির সাথে সংঘাত: বিএনপির জন্য নতুন চাপ জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির সংঘর্ষ নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণে উত্তাপ যোগ করেছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ফেরি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিএনপি ও এনসিপির সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের সময় দিকবিদিক ছুঁটতে থাকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসা হাজার হাজার লোক। এর আগে গত ৯ জানুয়ারী নোয়াখালীর হাতিয়ায় ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় একটি সড়ক কাটাকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার ও পাল্টা অভিযোগের জেরে এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি করেছে দুই পক্ষই। স্থানীয় পর্যায়ের এই সংঘাত দেখাচ্ছে, আওয়ামী লীগ অনুপস্থিত থাকায় তৈরি হওয়া রাজনৈতিক শূন্যতায় একাধিক শক্তি নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে বিএনপি একদিকে সম্ভাব্য ক্ষমতাসীন শক্তি হিসেবে বাড়তি প্রত্যাশা ও নজরদারির মুখে, অন্যদিকে নতুন ও পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বীদের চাপ সামলাতে গিয়ে ক্রমাগত সংঘাতের কেন্দ্রে চলে আসছে। এটি শুধু দলীয় দ্বন্দ্ব নয়; বরং নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের একটি প্রতিযোগিতা—যেখানে সংঘাত কার্যত একটি দৃশ্যমান উপাদান হয়ে উঠছে। আওয়ামী লীগ অনুপস্থিততে কৃত্রিম প্রতিযোগিতা, না নতুন সংঘাতের সমীকরণ? এই নির্বাচন এমন এক বাস্তবতায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যত ভোটের বাইরে। দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় মাঠে নেই তাদের সাংগঠনিক উপস্থিতি। ২০০৮ সালের সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রায় ৪৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, দলটির ঐতিহাসিক ভোটব্যাংকের একটি বড় অংশ এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে অনুপস্থিত থাকতে পারে। এই শূন্যতার মধ্যেই প্রধান প্রতিযোগিতা গড়ে উঠেছে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। তবে দুই দলের রাজনৈতিক কাঠামো ভিন্ন। বিএনপি নির্ভর করে বড় পরিসরের সাধারণ ও নিরপেক্ষ ভোটারের ওপর, অন্যদিকে জামায়াতের ভরসা তুলনামূলক ছোট কিন্তু অত্যন্ত সংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ভোটব্যাংক। এই বাস্তবতায় সংঘাতপূর্ণ নির্বাচনি পরিবেশ বিএনপির জন্য একটি বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে—কারণ সাধারণ ভোটাররা সহিংস পরিস্থিতিতে ভোটকেন্দ্রে যেতে অনাগ্রহী হন। সংঘাত কেন কৌশল হয়ে উঠছে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সহিংস পরিবেশে ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়াই স্বাভাবিক। ভোটার আচরণ নিয়ে গবেষণায় দেখা যায়, সংঘাত হলে সাধারণ ভোটাররা হয় ভোট দিতে যান না, নয়তো পুরো রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ঝিনাইগাতীর ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, তা এই মনস্তত্ত্বকেই সামনে আনে। অনেকেই প্রকাশ্যে বলছেন, ভোট দিতে গিয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ার চেয়ে দূরে থাকাই নিরাপদ। এই প্রবণতা বিএনপির মতো গণভিত্তিনির্ভর দলের জন্য উদ্বেগজনক—কারণ দলটির নির্বাচনি সাফল্য অনেকাংশেই ভোটার উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম বলেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো সন্তোষজনক নয়। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে ভোটারদের আস্থা ফেরানো কঠিন হবে। জুলাই-আগস্টের লুটের অস্ত্র যেন আতঙ্ক-নিরাপত্তাহীনতার প্রতিশব্দ নির্বাচনের আগের এই সংঘাতপূর্ণ বাস্তবতায় নিরাপত্তা পরিস্থিতিও নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। বিবিসি বাংলার তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ এখনও উদ্ধার হয়নি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, ভোটের আগে এসব অস্ত্র উদ্ধার না হলে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হবে। আর নিরাপত্তা নিয়ে আস্থা না ফিরলে ভোটকেন্দ্রে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। লাভ কার, ক্ষতি কার? এই সংঘাতের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে সাধারণ ভোটার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার। তবে রাজনৈতিকভাবে কে কতটা লাভবান হবে—সে বিষয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে এক্যমত্য নেই। তবে এটুকু স্পষ্ট, সংঘাতপূর্ণ পরিবেশ বিএনপির মতো বড় গণভিত্তিনির্ভর দলের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বিপরীতে, কম ভোটার উপস্থিতির নির্বাচন সংগঠিত ও ক্যাডারভিত্তিক দলগুলোর জন্য তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক হয়ে উঠতে পারে। এই বাস্তবতায় প্রশ্ন থেকেই যায়—সংঘাত কি অনিচ্ছাকৃত পরিণতি, নাকি নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের এক ধরনের অনিবার্য পর্ব? আওয়ামী লীগবিহীন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই প্রশ্নের উত্তর বুঝতে সময় লাগবে বহুদিন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ট্রাম্প: রাশিয়াকে আলোচনার টেবিল থেকে সরাতে চাই না, শান্তি আলোচনায় “দারুণ অগ্রগতি” ‘রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি নিরাপত্তার পথে ঐতিহাসিক মাইলফলক’ স্বীকার করলেন আমলারাই জুলাই চেতনায় তৈরি নতুন নোটের সুযোগে বাড়ছে জাল টাকার কারবার, ঝুঁকিতে ব্যবসায়ী-সাধারণ মানুষ জনাব চিফ হুইপ কি জানাবেন, ৮ মাসে বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করে উৎপাদনে যাওয়ার সায়েন্স কী? নাটকীয় মোড়, অস্বীকারের পরে চ্যাটজিপিটি দিয়ে পোস্ট লিখে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের! ইইউ বাজারে রপ্তানিতে ধ্বসঃ তৈরি পোশাক রপ্তানি ১১.৬৭ শতাংশ কমেছে, আট মাসে ক্ষতি ১.৫৭ বিলিয়ন ইউরো আইএমএফের পূর্বাভাস: চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশে উঠতে পারে, দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ লাখ লাখ টাকা চাঁদা-অবৈধ ফি’র চক্রে জিম্মি বাংলাদেশি শ্রমিকরা: জানালেন সিঙ্গাপুরের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী লালনের আখড়াবাড়িতে শক্তিশালী টাইম বোমা উদ্ধার, জোরদার নিরাপত্তা রাস্তায় ‘লক্কর-ঝক্কর’ বাস চলতে না দিলে ১ নভেম্বর থেকে ধর্মঘট বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্র ইশরাকঃ ধানমন্ডি ৩২ ভাঙতে বুলডোজার দিয়ে জুটেছিল মন্ত্রীত্ব, অস্ত্র নিয়ে বাহাদুরি দেখিয়ে হারাচ্ছেন সব ফ্রান্সে “দাঙ্গা”, বাংলাদেশে “বিপ্লব”: আন্তর্জাতিক মহলের এই দ্বিচারিতা কেন? ডিএসসিসি প্রশাসক সালাম: চাঁদাবাজ বলতে কিছু নাই চট্টগ্রামে কমার্স কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫ আগস্ট থানা লুটের পিস্তল-গুলি উদ্ধার সন্ত্রাসী ঘটনায় আহত হয়ে ‘জুলাই যোদ্ধা’: রাষ্ট্রের ৮০ লাখ টাকায় বিদেশে চিকিৎসা, ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা আদায় বিবিএস জরিপ: সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে ঋণে জর্জরিত দেশের ৪৭% পরিবার, সঞ্চয় ভাঙতে বাধ্য হচ্ছে মানুষ পাকিস্তানের প্রতি তিন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের একজন মানসিক রোগে ভুগছেন ইউনূস-তারেক গোপন সমঝোতা? হঠাৎ ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকা কর আদায়ের নির্দেশ স্থগিত ইইউতে বাংলাদেশের পোশাকের বাজার দখলে নিচ্ছে চীন-ভিয়েতনাম পিপিআরসির গবেষণা: ঘুষ না দিলে সরকারি কাজ হয় না, বলছেন ৭৪.৬ শতাংশ সেবাপ্রার্থী