নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর বেড়ে ১২৩.৫৫ টাকাঃ দুই সপ্তাহে বেড়েছে ৭০ পয়সা, আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কা
ভারতীয় পেঁয়াজের সাথে প্রতিযোগিতায় ন্যায্যমূল্য না পেয়ে দিশেহারা কৃষক, ক্ষোভে পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন রাস্তায়-ডোবায়
সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা: এক বছরেই ১৪৫ কোটি ইউরোর বাজার হারাল বাংলাদেশ
৫ আগস্ট থেকে চলতি জুন: সংকট-অস্থিরতায় ৭ শিল্প এলাকায় ৪৫৭ কারখানার ৮৬% স্থায়ীভাবে বন্ধ
চিংড়ির নামে পাতে সিলিকা বিষ
শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন, কমেছে লেনদেন
বাড়তি দামে মিলছে শীতের সবজি
রাজধানীর বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম শীতকালীন শাকসবজি। শীতের সবজির দাম তুলনামূলক বেশি থাকলেও এর প্রভাবে অন্যান্য সবজির দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে শীতকাল, দুয়েক সপ্তাহ পরই কমে যাবে সবজির দাম।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর নিউমার্কেট, হাতিরপুল, কলমিলতা ও মিরপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো সবজির দাম আরও বেশি।
বিক্রেতারা বলছেন, মোটামুটি দুই মাসের বেশি সময় ধরে চড়া দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। শীতের সবজির সরবরাহ শুরু হলে দাম কমতে পারে।
আজকের বাজারে দাম বেশি থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১২০ টাকা, গাজর ও শিম প্রতি কেজি ১০০ টাকা।
এ ছাড়া করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা ও বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ঢ্যাঁড়শ প্রতি কেজি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, ঝিঙে প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৫০ টাকা ও লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। আর পেঁয়াজের কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা।
এ ছাড়া, প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, ফুলকপি প্রতি পিস (ছোট) ৫০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতি পিস (ছোট) ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ টাকা, কচু প্রতি কেজি ৫০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৩০ টাকা ও আলু প্রতি কেজি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ডিমের দাম। প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা ও প্রতি ডজন সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এদিকে, নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে নেই ইলিশ মাছ। তবে চাষের রুই ও কাতলার দাম স্থিতিশীল থাকলেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে টেংরা, পাবদাসহ অন্যান্য মাছ।
মুরগির বাজার আগের মতো আছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির কেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। এছাড়া লাল লেয়ার কেজি প্রতি ৩২০ টাকা ও দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়। গরু ও খাসির মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৬০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা ও ছাগলের মাংস ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন, একসঙ্গে সব কিছুর দাম বেশি হওয়ায় মাসের খরচ মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আর বিক্রেতারা বলছেন, আগামী সপ্তাহ থেকে দাম কিছুটা কমতে পারে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।