মিগ-২১ যুদ্ধবিমানকে চিরবিদায় জানাতে চলেছে ভারত – বর্ণমালা টেলিভিশন

মিগ-২১ যুদ্ধবিমানকে চিরবিদায় জানাতে চলেছে ভারত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ জুলাই, ২০২৫ | ৮:৩১ 108 ভিউ
ছয় দশকেরও বেশি সময় পর এবার ভারতীয় বিমানবাহিনী চিরবিদায় জানাবে ‘মিগ’ বিমানকে। বর্তমানে ২৩ নম্বর ‘প্যান্থার্স’ স্কোয়াড্রনের অন্তর্ভুক্ত ‘মিগ টোয়েন্টি ওয়ান’ শেষবারের মতো দেশটির আকাশে উড়বে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর। ভারতে মিগ টোয়েন্টি ওয়ানের যাত্রা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কয়েক বছর আগে গঠিত হওয়া ভারতের ২৮ নম্বর ‘ফার্স্ট সুপারসনিকস’ স্কোয়াড্রন দিয়ে। রাশিয়ার তৈরি এই ‘মিকোয়ান গুরেভিচ’ বা মিগ বিমান প্রথম ভারতে আসে ১৯৬৩ সালে। গত সোমবার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যে এফ-৭ বিমান ঢাকায় বিধ্বস্ত হয়, সেটি এই মিগ টোয়েন্টি ওয়ানেরই প্রতিরূপ, যা চীনের তৈরি। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এসব তথ্য বলা হয়। ভারতের বিমানবাহিনীর ওয়েবসাইটে বলা হয়, ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ফলে পরবর্তী কয়েক দশকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর রূপ ও শক্তিতে নিবিড় বদল ঘটেছিল। এক চুক্তির মাধ্যমে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বহরটি আনে ভারত সরকার। সেই দফায় কেনা ১২টি মিগ টোয়েন্টি ওয়ানই ছিল ভারতের প্রথম ‘অ-পশ্চিমা’ যুদ্ধবিমান। ভারতেই যাতে এই বিমানগুলো উৎপাদন করা যায়, সে জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তাও পেয়েছিল দেশটি। মিগ সিরিজের বিমানই ছিল ভারতের হাতে আসা প্রথম সুপারসনিক (শব্দের চেয়েও দ্রুত) যুদ্ধবিমান। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে মিগ ব্যবহার করেছে ভারতীয় বিমানবাহিনী। ২০১৯ সালে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে যখন ভারত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালিয়েছিল, সে সময় বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটিও ছিল মিগ। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে মিগ বিমান স্কোয়াড্রনকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছিল। গত ৬০ বছরেরও বেশি সময়ে ভারতীয় বিমানবাহিনী ৮৭০টি মিগ বিমান ব্যবহার করেছে। ব্যবহারের শুরুতেই ১৯৬৩ সালে দুটি মিগ বিধ্বস্ত হয়েছিল। ভারতে গত ১৫ বছরে ২০টি মিগ বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। বেশি দুর্ঘটনায় পড়ার কারণে মিগ টোয়েন্টি ওয়ানকে ‘কফিন-মেকার’ বা ‘উইডো-মেকার’ বলা হয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন