ভূমি ধসের কারণে ঝুঁকিতে ‘নান্দনিক’ সিন্দুকছড়ি-জালিয়াপাড়া সড়ক – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ৫ জুলাই, ২০২৫
১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
109 ভিউ

ভূমি ধসের কারণে ঝুঁকিতে ‘নান্দনিক’ সিন্দুকছড়ি-জালিয়াপাড়া সড়ক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ জুলাই, ২০২৫ | ১০:৪৪ 109 ভিউ
বর্ষার শুরুতে ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়িতে ভূমি ধসের কারণে ঝুঁকিতে পড়েছে সিন্দুকছড়ি-জালিয়াপাড়া সড়ক। ২৪ কিলোমিটার নান্দনিক সড়কটির ৩৭ পয়েন্ট ধসে গেছে মাটি। সড়কটি রক্ষায় দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। খাগড়াছড়ির সিন্দুকছড়ি-জালিয়াপাড়া সড়কটি দৃষ্টিনন্দন সড়ক হিসেবে পরিচিত। কয়েক দফায় ভারী বর্ষণে এই সড়কের অন্তত ৩৭টি পয়েন্টে মাটি ধসে গেছে। এতে ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে রাস্তাটি। দ্রুত ভাঙন কবলিত অংশগুলো সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সিন্দুকছড়ি–জালিয়াপাড়া সড়কটি খুবই গুরত্বপূর্ণ। বর্ষায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাটি ধসে গেছে। পাহাড় ধসে মাটি পড়ায় সড়কের বেশকিছু পয়েন্টে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি মেরামত করতে হবে। সড়কটি ভেঙে গেলে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। বড় ক্ষতির আগেই সড়কটিতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের দাবি জানিয়েছে শ্রমিক নেতারা। খাগড়াছড়ি ট্রাকমালিক সমিতির সভাপতি আসলাম কালু বলেন, ‘সড়কটি বিভিন্ন জায়গায় ধস হয়েছে। যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে হলে সড়ক বিভাগকে অনুরোধ করব তারা যাতে দ্রুত সড়কটি মেরামত করে। এতে মানুষের ভোগান্তি দূর হবে।’ সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, এরইমধ্যে পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী, স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি রক্ষা করা হবে। খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘যেহেতু এখানে ম্যাসিভ ধস হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পাহাড় ধসের মাটি সরানো হয়েছে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে পাহাড় ধস রোধে আমরা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করেছি। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে আমরা কাজ করব।’ ২০২৩ সালে দৃষ্টিনন্দন এই সড়কটি নির্মাণ করে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন-২০ ইসিবি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন