যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙে লেবাননে ফের হামলা ইসরাইলের – বর্ণমালা টেলিভিশন

যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙে লেবাননে ফের হামলা ইসরাইলের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ জুলাই, ২০২৫ | ৯:৫২ 120 ভিউ
যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে লেবাননে ফের হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। শুক্রবার (৪ জুলাই) দক্ষিণ লেবাননের একাধিক স্থাপনায় গোলাবর্ষণ করে ঘরবাড়ি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি যানবাহন ধ্বংস করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। লেবাননের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নাবাতিয়েহ প্রদেশের আইতা আল-শাব শহরে একটি বাড়ি, মেইস এল জাবাল শহরে একটি সরকারি বুলডোজার এবং মারজাইউন শহরের একটি কাপড়ের কারখানায় ইসরাইলি গোলাবর্ষণে ব্যাপক ক্ষতি হয়। এই হামলায় একজন নিহত এবং তিনজন আহত হন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে লেবাননে সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ। মূল লক্ষ্য ছিল লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। ওই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত টানা এক মাস অভিযানে হিজবুল্লাহর বেশিরভাগ ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়, নিহত হন গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এবং প্রথম সারির বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার। এরপর থেকেই দক্ষিণ লেবাননে ঘাঁটি স্থাপন করে ইসরাইলি বাহিনী, যেখানে হিজবুল্লাহর অধিকাংশ সামরিক অবকাঠামো অবস্থিত। ২০২৪ সালের নভেম্বরে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল— লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং লেবাননের ভূখণ্ডে আর কোনো সামরিক অভিযান চালানো হবে না। তবে চুক্তির আট মাস পার হলেও ইসরাইল এখনো দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা সরায়নি। বরং নতুন করে আবারও হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করল। এ পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেবাননের সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন— নভেম্বরের মধ্যে হিজবুল্লাহ যদি অস্ত্র সমর্পণ না করে, তবে ডিসেম্বর থেকে আবারও পূর্ণমাত্রার অভিযান শুরু করবে আইডিএফ। তবে হিজবুল্লাহ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে না। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আত্মরক্ষা ও জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপস নয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন