কখনো ভাবিনি, এক বাক্স খাবারের জন্য মরতে হবে – বর্ণমালা টেলিভিশন

কখনো ভাবিনি, এক বাক্স খাবারের জন্য মরতে হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ June, ২০২৫ | ১১:১৪ 189 ভিউ
গাজার আল-মাওয়াসির একটি তাঁবুতে থাকতেন ৩৬ বছর বয়সি খালেদ আল-লাহহাম। ১০ সদস্যের পরিবারের ভার ছিল তার কাঁধেই। ২৭ মে প্রথম দিন যখন ত্রাণের প্যাকেট পেয়েছিলেন তখন তার মনে আশার সঞ্চার হয়। এজন্য রোববার সকালে আবারও ছুটে যান দু’মুঠো খাবারের আশায়। বন্ধুদের সঙ্গে করে। কিন্তু এ দিন ঘটল এক বিভীষিকাময় ঘটনা। রাফাহর আল-আলম গোলচত্বরে ত্রাণকেন্দ্রের কাছে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই হঠাৎ গুলির শব্দ। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে। সে সঙ্গে মানুষের চিৎকার। আমার পায়ের ভেতর দিয়ে একটি গুলি চলে গেল, বললেন খালেদ। গাড়ি থেকে নামতেও পারছিলেন না খালেদ। পরে তার একজন বন্ধু ফিরে এসে হাসপাতালে নিয়ে যান তাকে। ‘আমি কখনো ভাবিনি, এক বাক্স খাবারের জন্য মরতে হবে, হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কাতর কণ্ঠে বললেন খালেদ। আলজাজিরা। অন্যদিকে গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে একটি তাঁবুর ভেতর বিছানায় শুয়ে আছে ১৩ বছরের ইয়াজান মুসলেহ। তার ক্ষীণ শরীরে একটি বড় সাদা ব্যান্ডেজ। গুলির চিহ্ন গা জুড়ে। পাশে বসে আছেন তার বাবা ইহাব। মুখে আতঙ্কের ছাপ এখনো স্পষ্ট। রোববারের সেই হামলায় আহত হয় ইয়াজানও। তারা খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা হেঁটে পৌঁছান রাফাহর সেই ত্রাণ কেন্দ্রে। ভিড় দেখে দুই ছেলেকে একটু দূরের উঁচু জায়গায় অপেক্ষা করতে বলেন ইয়াব। ইসরাইলের থাবা পড়ল সেখানেও। ইহাব বলেছেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই চারদিকে গুলিবর্ষণ শুরু হয়। আমি ছেলেদের দিকে তাকিয়ে দেখি ইয়াজান গুলিবিদ্ধ হয়েছে। সেখানকার বাসিন্দাদের সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ইয়াজানকে। হাসপাতালের বিছানায় ইয়াজানের পাশে বসে তার ভাই ইয়াজিদ বলেছে, আমি আমার চোখের সামনে তার নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসতে দেখেছি। নাসের হাসপাতালের পাশের তাঁবুর আরেক শয্যাশায়ী মোহাম্মদ আল-হোমস। এ দিন তিনিও গিয়েছিলেন খাবার আনতে। তিনি বলেছেন, আমরা শুধু বাচ্চাদের জন্য খাবার আনতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ত্রাণকেন্দ্রে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ওরা আমাকে দু’বার গুলি করে। একবার পায়ে, আরেকবার মুখে। উল্লেখ্য, ২৭ মে থেকে গাজায় খাদ্য বিতরণ শুরু করে মার্কিন-সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)। কিন্তু মঙ্গলবার পর্যন্ত গত ৮ দিনে মার্কিন-সমর্থিত এই ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রগুলোতে ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০২ জন ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও শতাধিক।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিএনপি নেতার বাসাসহ রাজধানীর তিন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ হেফাজত আমির: জামায়াতের দীন-ইসলাম আমাদের ইসলাম নয়, মওদুদীবাদ ভ্রান্তির পথ বাংলাদেশের জন্য রুশ বাজারের নতুন দুয়ার, বাণিজ্য সম্প্রসারণে মস্কোর আগ্রহ হবিগঞ্জে পুড়ল জুলাই স্তম্ভ সি.এফ এর প্রতিবেদন: সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়েছে ৭.৫২ ভাগ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতিতে বুড়িগঙ্গায় ব্যানার টাঙিয়ে ছাত্রলীগের ‘নৌকা মিছিল’ স্থানীয় নির্বাচনে সমঝোতার আহ্বান মামুনুল হকের আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে স্বতন্ত্র শপিং অ্যাপ আনল টিকটক বৃষ্টির সময় পড়ার দোয়া ও এর ফজিলত অনলাইনে চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রিতে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক নিউগিনি প্রপার্টিজে ফের হামলা ও ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১৪ সুরের মূর্ছনায় মুখর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ইসলামাবাদে পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সাত ব্যান্ডের মিলনমেলা, রাত ১০টায় মঞ্চে জেমস ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য ফাঁসে রাশিয়ার দিকে সন্দেহের আঙুল ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সমস্যার সমাধান: শুভেন্দু অধিকারী নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা?