সম্পর্ক আরও গভীর করতে জাপান-ফিলিপাইনের অঙ্গীকার – বর্ণমালা টেলিভিশন

সম্পর্ক আরও গভীর করতে জাপান-ফিলিপাইনের অঙ্গীকার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ April, ২০২৫ | ১১:০৯ 150 ভিউ
চীনের সঙ্গে ভূখণ্ড বিরোধ মোকাবিলায় নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার করেছে জাপান ও ফিলিপাইন। এর অংশ হিসেবে দুই দেশ গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অক্টোবরে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফিলিপাইনে প্রথম সফরে এসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা মঙ্গলবার বলেন, পূর্ব চীন সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরে বলপ্রয়োগ বা জবরদস্তির মাধ্যমে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে জাপান ও ফিলিপাইন। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা। ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মারকোস জুনিয়রের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইশিবা জানান, উভয় নেতা অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট নামে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনার শুরুতে সম্মত হয়েছেন। এই চুক্তির আওতায় জাপানি সেনারা ফিলিপাইনে যৌথ মহড়ায় অংশ নিতে এলে তাদের খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হবে। গত বছর স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন ফিলিপাইন সিনেট ইতোমধ্যে দিয়েছে। এটি বর্তমানে জাপানের সংসদে অনুমোদনের অপেক্ষায়। ইশিবা আরও জানান, ভবিষ্যতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ে আলোচনা শুরুর বিষয়েও আমরা সম্মত হয়েছি। ফিলিপাইন প্রেসিডেন্ট মারকোস বলেন, টোকিওর পূর্ববর্তী নিরাপত্তা সহায়তার মাধ্যমে আমাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিশেষ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কার্যকর উন্নয়ন সাধন করতে পেরেছে। তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে ‘স্বর্ণযুগ’ বলে আখ্যায়িত করেন। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো এমন এক সময়ে যখন চীনের সঙ্গে ফিলিপাইন ও জাপানের উত্তেজনা তীব্রতর হয়েছে। দক্ষিণ চীন সাগরে বিরোধপূর্ণ এলাকাগুলোতে চীন ও ফিলিপাইনের উপকূলরক্ষী বাহিনীর মধ্যে একের পর এক সংঘর্ষ পরিস্থিতি ঘনীভূত করছে। অপরদিকে, পূর্ব চীন সাগরে দিয়াউইউ (চীনের নাম) বা সেনকাকু (জাপানের নাম) দ্বীপপুঞ্জ ঘিরে চীনের সঙ্গে জাপানের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। এই দ্বীপগুলো বেইজিংয়ের দাবি থাকলেও বর্তমানে টোকিওর প্রশাসনের অধীনে রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরে একটি বিরোধপূর্ণ বালুকাময় দ্বীপ নিয়ে ফিলিপাইন ও চীনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সোমবার চীন অভিযোগ করে, তিয়েশিয়ান রিফ বা স্যান্ডি কায়-এ ছয়জন ফিলিপাইনি নাগরিক অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন, যা তাদের মতে চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। এই ভূখণ্ডগত বিরোধ থেকেই জাপান ও ফিলিপাইন নিজেদের মধ্যে পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করছে। অর্থনৈতিক দিক নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী। ইশিবা বলেন, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহীত সাম্প্রতিক পদক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পারস্পরিক পাল্টা শুল্ক আরোপের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উদ্ভূত প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের