শাহবাজ-নওয়াজ বৈঠক : উত্তেজনা প্রশমনে শান্তিপূর্ণ সমাধানে জোর দিলেন নওয়াজ শরিফ – বর্ণমালা টেলিভিশন

শাহবাজ-নওয়াজ বৈঠক : উত্তেজনা প্রশমনে শান্তিপূর্ণ সমাধানে জোর দিলেন নওয়াজ শরিফ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ April, ২০২৫ | ১০:২০ 142 ভিউ
পহেলগাঁও এলাকায় বন্দুক হামলার পর ভারত কর্তৃক সিন্ধু পানি চুক্তি (আইডব্লিউটি) স্থগিতের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির (এনএসসি) বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রোববার পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) সভাপতি নওয়াজ শরিফকে অবহিত করেছেন। জাটি উমরায় পারিবারিক বাসভবনে নওয়াজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শাহবাজ, যেখানে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজও উপস্থিত ছিলেন। সোমবার (২৮ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তার বড় ভাইকে জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো আগ্রাসনের জবাব আরও শক্তভাবে দেওয়ার জন্য পাকিস্তান প্রস্তুত রয়েছে। শাহবাজ শরিফ নওয়াজকে বলেন, পহেলগাঁও চালানো হামলাটি ছিল ভারতের আরেকটি মিথ্যা অপারেশন (ফলস ফ্ল্যাগ) যার উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা। তিনি বলেন, ভারতের একতরফা সিদ্ধান্তে আইডব্লিউটি স্থগিত হওয়ায় অঞ্চলে যুদ্ধের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পাকিস্তান শান্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস নয়। পিএমএল-এন সূত্রে জানা গেছে, নওয়াজ শরিফ তার সরকারকে সব ধরনের কূটনৈতিক উপায় ব্যবহার করে দুই পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি পুনরুদ্ধারের পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্রটি জানায়, নওয়াজ কোনো আক্রমণাত্মক অবস্থান নেওয়ার পক্ষে নন। এর আগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ভারতকে প্রস্তাব দিয়েছেন, পহেগাম হামলার ঘটনা তদন্তে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, চীন, রাশিয়া ও ব্রিটেনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি আন্তর্জাতিক কমিশন গঠনের। তিনি বলেন, যদি এমন কমিশন গঠন করা হয়, তাহলে পাকিস্তান বিশ্ববাসীর সামনে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন করবে। তিনি সতর্ক করে দেন, দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে উত্তেজনা বিশ্ব স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত পরিস্থিতির প্রতি মনোযোগী হওয়া। খাজা আসিফ বলেন,"আমরা জানি এটি একটি মিথ্যা হামলার অভিযান, তারপরও আমরা যে কোনো ধরনের তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে যদি ভারত কোনো ধরনের দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তারা আমাদের প্রস্তুতির নজির দেখবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের