পানিতে ডুবে পবিপ্রবি শিক্ষার্থী মৃত্যু – বর্ণমালা টেলিভিশন

পানিতে ডুবে পবিপ্রবি শিক্ষার্থী মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ April, ২০২৫ | ৯:৪৪ 187 ভিউ
পানিতে ডুবে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হুসাইন মোহাম্মদ আশিক মারা যাওয়ার ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ ওঠায় পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শামীম আল আজাদকে ওএসডি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের লেবুখালী এলাকায় পায়রা সেতুর টোল প্লাজা অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা। এ সময় দোষী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তারা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অনকলে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডা. শামীম আল আজাদ এ প্রতিবেদককে জানান, চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি ছিল না। দীর্ঘক্ষণ পানিতে ডুবে থাকায় রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এসএম হেমায়েত জাহান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নেওয়া সিদ্ধান্তকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বাগত জানায়। এসময় তিনি আরও বলেন, নিজ ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো পবিপ্রবি পরিবার মর্মামত। উল্লেখ্য, সোমবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সরকারি জনতা কলেজের পুকুরে কয়েকজন বন্ধু মিলে গোসল করতে যান পবিপ্রবির কৃষি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র হুসেইন মোহাম্মদ আশিক। সাতার না জানায় পানিতে ডুবে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক আশিককে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরে আশিকের মৃত্যুতে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি আইসিইউতে কোনো চিকিৎসক না থাকায় প্রথমে কোনো চিকিৎসাই দেওয়া হয়নি। আশিকের মৃত্যুতে চিকিৎসকের গাফিলতিকে দায়ী করেন তারা। এ ঘটনায় ওই দিনে হাসপাতালে দফায় দফায় বিক্ষোভের মুখে তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৯০ হাজার উদ্যোক্তাকে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ