হুমকি ও চাপের মধ্যে তেহরান কোনো আলোচনায় যাবে না – বর্ণমালা টেলিভিশন

হুমকি ও চাপের মধ্যে তেহরান কোনো আলোচনায় যাবে না

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ মার্চ, ২০২৫ | ১০:৪৮ 128 ভিউ
আলোচিত পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও চাপের মধ্যে তেহরান কোনো আলোচনায় যাবে না, এমনটাই জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘তোমরা যা খুশি তাই করো।’ মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ কথা জানিয়েছে। পেজেশকিয়ানকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আমাদের জন্য এটি একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় যে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) নির্দেশ দেয় এবং হুমকি দেয়। আমি এমন পরিস্থিতিতে আলোচনাতেও যাব না। যা খুশি তাই করো।’ এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শনিবার বলেন, হুমকি দিয়ে তেহরানকে আলোচনায় বসানো যাবে না। তার এই মন্তব্য আসে একদিন পর, যখন ট্রাম্প জানান তিনি ইরানকে নতুন পারমাণবিক চুক্তির আলোচনায় বসানোর জন্য একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। যদিও ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখতে চান, তবে তিনি আবারও প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তার প্রথম মেয়াদের মতো ‘সর্বোচ্চ চাপ’ কৌশল চালু করেছেন, যার লক্ষ্য তেহরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং দেশটির তেল রপ্তানি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা। ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানকে দুটি উপায়ে সামলানো যেতে পারে: সামরিকভাবে, অথবা একটি চুক্তির মাধ্যমে যাতে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকানো যায়’। তেহরান অবশ্য দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না। তবে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) সতর্ক করেছে যে ইরান দ্রুততার সঙ্গে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে, যা প্রায় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি, যা অস্ত্র-মানের ইউরেনিয়াম হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১৯ সাল থেকে ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির গতি বাড়িয়েছে। এর এক বছর আগে, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৫ সালের বহুপাক্ষিক পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন এবং তেহরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেন, যা দেশটির অর্থনীতিকে ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু, আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে উচ্ছ্বসিত মন্তব্য জামায়াত আমিরের মাদ্রাসাছাত্রকে বছরজুড়ে শিক্ষক ও ৩ ছাত্রের ধর্ষণ: ‘ইসলামের স্বার্থে’ আপোস মীমাংসায় অভিভাবকদের সম্মতি ফুটপাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ, বিএনপিকর্মী ল্যাংড়া খোকন পলাতক তুরাগ হত্যাকাণ্ড: বিবিসি বাংলার অনুসন্ধানে উঠে এলো লীগ কর্মীদের নির্মমভাবে হত্যার আরও বিশদ তথ্য জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয় সোনাগাজীতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে অর্ধকোটি টাকার মাছবোঝাই ট্রাক ছিনতাই ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব, তিন দেশে প্রাণ গেল ৩৭০০ মানুষের বিচারকের বাড়ি থেকে ১৯ লাখ টাকার সোনাসহ মামালাল চুরি: বিএনপির ২ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫ জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজায় যোদ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউটিউবে আসছে দৃষ্টিনন্দন ফিচার মেসিকে নিয়েই কেপ ভার্দের বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪২৪ ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়াল ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকায় ‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য শেখ হাসিনা সরকারের স্থাপিত ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় প্রথম বছরেই মুনাফা ২৩৩ কোটি টাকা সরকারের দাবি ‘ছাড় দেওয়া হয়েছে’, কিন্তু বাজারে কমেনি নিত্যপণ্যের দাম: ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষের প্রাণ নরওয়ে ম্যাচের আগে ব্রাজিলের বড় ধাক্কা: ইনজুরিতে পাকেতা