নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট
বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বাধা, বিক্ষোভ ভারতীয় গ্রামবাসীর
আয়নাঘর ঘুরে দেখে ফেসবুকে যা লিখলেন ভারতীয় সাংবাদিক
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা এবং ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যরা ঢাকার কচুক্ষেত, উত্তরা ও আগারগাঁওয়ে অবস্থিত আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় সাংবাদিক অর্ক দেব ছিলেন, যিনি ‘ইনস্ক্রিপ্টিডটমি’-এর সম্পাদক। এর আগে আনন্দবাজার ও নিউজ১৮ সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন অর্ক দেব।
আয়নাঘর পরিদর্শন শেষে অর্ক দেব নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। যেখানে তিনি সেখানকার একটি ইলেকট্রিক চেয়ারের ছবি শেয়ার করে লেখেন, ‘এই চেয়ারটা দেখে রাখা জরুরি। ফ্যাসিবাদের জননী শেখ হাসিনার আয়নাঘরের একটি কক্ষে রাখা এই চেয়ার (আগারগাঁও অঞ্চলে)। ‘হাই ভ্যালু’ বন্দিদের ইলেকট্রিক শক দিতে ব্যবহার হতো এই চেয়ার।’
তিনি আরও জানান, ‘ডিজিএফআইয়ের কাউন্টার টেররিজম ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (সিটিআইবি) এই আয়নাঘরের দায়িত্বে ছিল। একজস্ট ফ্যানের শব্দে বন্দিদের কান্না ও গোঙানির শব্দ শোনা যেত, যা এই ঘরগুলোতে সারাক্ষণ চলত। অর্ক দেব লেখেন, ‘আজ থেকে গোটা বিশ্ব আয়নাঘরের সব ছবি দেখবে।’
অর্ক দেব আরও একটি পোস্টে মাইকেল চাকমার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে লিখেন, ‘প্রথম যে দুটো রুম দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে ১১৩ নম্বর সেল একেবারে বাথরুমের পাশে ছিল। সেখানে ২৪ ঘণ্টা সিসি ক্যামেরা চালু থাকত। আমি এই সেলে প্রায় দুই বছর বন্দি ছিলাম। একই লাইনের ১১৭ নম্বর রুমে দেড় বছরেরও বেশি সময় ছিলাম।’

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।