নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্ববাজারে টানা কমছে জ্বালানি তেলের দাম, বিন্দুমাত্র প্রভাব নেই দেশের বাজারে
সারাবিশ্বে স্টার্টআপ বিনিয়োগে জোয়ার: বাংলাদেশে ৫ বছরের সর্বনিম্নে, ১ বছরেই ৯৫ শতাংশ ধস
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বহুমুখী চাপে রপ্তানিকারকেরা, বিপর্যস্ত অর্থনীতি
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুরু: দক্ষিনাঞ্চলে যাত্রীপ্রতি ৫০ টাকা বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত
দ্রব্যমূল্যে নাভিশ্বাস চরমে নিম্ন আয়ের মানুষেঃ তবুও কোথাও দেখা মিলছে না ‘টিসিবির ট্রাকসেল’
আবারও জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধিঃ ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল
উচ্চমূল্যে মার্কিন গম ক্রয়: সরকারের দাবি বৃহত্তর কৌশল, অথচ ভুক্তভোগী ভোক্তা এবং দেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশের আমদানির ঘোষণায় চালের দাম বাড়লো ভারতে
বাংলাদেশে ঘাটতি বা দাম বাড়লেও ভারত থেকে চাল আমদনি করে থাকে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আগামী মাসে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৯ লাখ টন চাল আমদানি করবে বাংলাদেশ। আগামী ৭ আগস্ট এ দরপত্র আহ্বান করা হবে।
আর বাংলাদেশের এ ৯ লাখ টন চাল কেনার খবরে ভারতে নন-বাসমতি চালের দাম ৮-১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বুধবার (৩০ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস।
বিশ্বে যত চাল রপ্তানি হয় তার ৪০ শতাংশই ভারত করে। দেশটির ব্যবসায়ীদের আশা বাংলাদেশ নতুন করে যে ৯ লাখ টন চাল কিনতে যাচ্ছে সেটির বড় একটি অংশ রপ্তানির সুযোগ পাবেন তারা। কারণ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় তাদের চালের দাম কম এবং বাংলাদেশে ভারত সহজে পণ্য রপ্তানি করতে পারে।
দেশটির ব্যবসায়িক একটি সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের রপ্তানির ঘোষণার কারণে স্বর্ণা, মিনিকেট এবং সোনা মাসোরির চাহিদা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশে চাল রপ্তানিকারক বড় প্রতিষ্ঠান ভিলা গ্রুপের প্রধান নির্বাহী সুরাজ আগারওয়াল ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসকে বলেছেন, “বাংলাদেশের রপ্তানির খবরের প্রভাব ইতিমধ্যে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে পড়া শুরু হয়েছে। যেখানে ভোক্তা পর্যায়ে চালের দাম গত কয়েক সপ্তাহে ৮-১০ শতাংশ বেড়েছে।”
ভারতের চাল প্রক্রিয়াজাতকারকরা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নন-বাসমতি চালের চাহিদা অনেক বেশি। বাংলাদেশ চাল আমদানি করবে এ খবর যখন ছড়িয়েছে তখনই অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব চালের দাম বেড়েছে।
দেশটির চাল রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ভি কৃষ্ণা রাও বলেছেন, “মালামাল পরিবহনের সুবিধা এবং শক্তিশালী উৎপাদনের কারণে ভারত বাংলাদেশে অনেক চাল রপ্তানি করবে বলে আমাদের আশা।”
চাল রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, ৯ লাখ টনের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার কিনবে ৪ লাখ টন । বাকি ৫ লাখ টন কেনা হবে বেসরকারিভাবে। দরপত্রের মাধ্যমে চাল কেনার আদেশ পাওয়ার ছয় সপ্তাহের মধ্যে সেগুলো রপ্তানি করতে পারবেন রপ্তানিকারকরা।
পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং বিহারে উৎপাদিত মিনিকেট এবং সোনা মাসোরি চাল বাংলাদেশে রপ্তানি করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশটির ব্যবসায়িক একটি সূত্র জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সাধারণত আগস্টের পর চাল আমদানি করে থাকে। কিন্তু জুলাই ও আগস্টে অত্যাধিক বৃষ্টির কারণে বপন করা ফসল নষ্ট হয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে এবার আগেই চাল আমদানি করছে ঢাকা।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]