আরও খবর
চুয়েটে ফের শাটডাউন কর্মসূচি, উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে আপত্তি
উড়োজাহাজ কেনার আগে সম্ভাব্যতা যাচাই নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন
ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে যুদ্ধবিরতি শেষ
হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে দুই তেলবাহী জাহাজে ক্ষয়ক্ষতি
খুলনায় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
যুক্তরাষ্ট্রে বসে ওয়ারীতে মাদক ল্যাব পরিচালনা, দেশে ফিরে গ্রেপ্তার
প্রধানমন্ত্রীর বাস নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য: আদালতে স্বীকারোক্তি যুবকের
নগদের ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়াতে আবেদন, বিরোধিতা করবে দুদক
মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ লিমিটেডের ৭৮৬ কোটি ৩৯ হাজার ২৮৪ টাকার অবরুদ্ধ শেয়ার ছাড়িয়ে নিতে আদালতে আবেদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সোমবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে এই আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
দুদকের সহকারী পরিচালক (কোর্ট) আমিনুল ইসলাম জানান, নগদের পক্ষ থেকে শেয়ার অবমুক্ত করার জন্য আবেদন করা হয়েছে এবং সোমবার শুনানির দিন নির্ধারিত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নগদের অবরুদ্ধ শেয়ার যাতে ছেড়ে দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে দুদক আদালতে আইনি লড়াই করবে।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির নগদ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৭৮৬ কোটি ৩৯ হাজার ২৮৪ টাকার শেয়ার অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন।
দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২১ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নগদের মাধ্যমে সরকারি ভাতার অব্যবহৃত অর্থ সফটওয়্যার জালিয়াতির মাধ্যমে ২৪ হাজার ১৫৯টি ভুয়া উদ্যোক্তার ওয়ালেটে স্থানান্তর করা হয়েছে। পরে ৬৪৮টি ভুয়া ডিএসও এবং ৩৪টি অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ১ হাজার ৭০৬ কোটি ৩৮ লাখ ৫৪ হাজার ২২৯ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের ১৬ কোটি ৮৪ লাখ ৩৪ হাজার ১২৭টি শেয়ার কেনায় ব্যবহার করা হয়েছে। নগদের আগের নাম ছিল থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেড। এছাড়া অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে সরকারি অর্থ সরানো, বৈদেশিক মুদ্রা না এনে শেয়ার হস্তান্তর, বিদেশে অর্থ পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে।
বিজ্ঞাপন
দুদকের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শেয়ারগুলো বিক্রি বা হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন এবং এসব অর্থ বিদেশে পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। শেয়ার কেনার জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিরা বৈধভাবে অর্থ এনেছেন এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে শেয়ার হস্তান্তর বা বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুদক বিধিমালা অনুযায়ী শেয়ারগুলো অবরুদ্ধ করা হয়েছিল।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]