নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর বেড়ে ১২৩.৫৫ টাকাঃ দুই সপ্তাহে বেড়েছে ৭০ পয়সা, আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কা
ভারতীয় পেঁয়াজের সাথে প্রতিযোগিতায় ন্যায্যমূল্য না পেয়ে দিশেহারা কৃষক, ক্ষোভে পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন রাস্তায়-ডোবায়
সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা: এক বছরেই ১৪৫ কোটি ইউরোর বাজার হারাল বাংলাদেশ
৫ আগস্ট থেকে চলতি জুন: সংকট-অস্থিরতায় ৭ শিল্প এলাকায় ৪৫৭ কারখানার ৮৬% স্থায়ীভাবে বন্ধ
চিংড়ির নামে পাতে সিলিকা বিষ
শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন, কমেছে লেনদেন
ধসের মুখে ভারতের চিংড়ি রপ্তানি শিল্প
মার্কিন শুল্কের প্রভাবে বড় ধরনের ধসের মুখে পড়েছে ভারতের চিংড়ি রপ্তানি শিল্প। প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় ভারতীয় চিংড়ির দাম বেশি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দেশটির চিংড়ি চাষীরা। এমনটা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হারানোর শঙ্কা তাদের। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ চিংড়ি উৎপাদনকারী দেশ ভারত। গত অর্থবছরের শেষে মার্চে বিশ্বব্যাপী ৫০০ কোটি ডলারের হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি করেছিল ভারত। যার ৪৮ শতাংশই ছিল যুক্তরাষ্ট্রে।
চিংড়ি চাষ হয়ে থাকে পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, গোয়া, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক এবং কেরেলায়। এই খাতে প্রায় ১ কোটি মানুষ কাজ করেন।
গত মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম ভারতীয় চিংড়ির ওপর শুল্ক ঘোষণা করেন। ওই সময় দেশটিতে চিংড়ির দাম প্রতি কেজি ৩০০ রুপি থেকে কমে ২৩০ রুপিতে চলে আসে। যদিও এক কেজি চিংড়ি উৎপাদনে খরচ হয় ২৭৫ রুপি।
চিংড়ির দাম কমায় অনেক চাষী পোনা কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে করে এরইমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক হ্যাচারি। এসব হ্যাচারি বছরে ৮ হাজার কোটি পোনা উৎপন্ন করে। কিন্তু চাহিদা না থাকায় গত তিন-চার মাসে ৮০০ কোটি পোনা ফেলে দিতে হয়েছে। চিংড়ির একেকটি পোনা মাত্র তিন থেকে চারদিন বাঁচে।
সবশেষ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, ভারত ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন টন চিংড়ি রপ্তানি করেছিল। এর মধ্যে বেশিরভাগ ছিল সাদা পায়ের চিংড়ি। এটি বছরে দুইবার উৎপাদন করা যায়। যার প্রথমটি ফেব্রুয়ারি থেকে জুন। দ্বিতীয়টি জুলাই থেকে অক্টোবর। কিন্তু রোগবালাইয়ের ভয়ে চাষীরা সাধারণত দ্বিতীয় চক্রে চাষ করেন না। তবে চলমান ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দ্বিতীয়বার চাষের ঝুঁকি নিচ্ছেন অনেকে।
ভারতীয় চিংড়ির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক রয়েছে ৫৮ শতাংশ। চাহিদা মেটাতে বর্তমানে ইকুয়েডর থেকে চিংড়ি কিনছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতীয় চাষীদের শঙ্কা এমনটা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হারাবে ভারত। দ্রুত সংকট থেকে উত্তরণের আশা তাদের।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।