নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হামের টিকাদানের ৯ সপ্তাহেও তৈরি হয়নি অ্যান্টিবডি, টিকার কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ
মুখে ঘা কেন হয়
খুলি না কেটে শব্দতরঙ্গেই জব্দ হবে পারকিনসন্স
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি
হাম ও উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৫২৮
পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের ডিম্বাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি
হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১,০০৯ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-সংক্রান্ত নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশে চলতি বছরের শুরুতে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও গত ১৫ মার্চ থেকে নিয়মিত এর তথ্য দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই সময়ে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৭৩ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৬৬ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৪ হাজার ১৮৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের পদক্ষেপগুলো দেরিতে এসেছে। বিশেষ করে হামের জন্য সরকারিভাবে পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট প্রটোকল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে উপজেলা হাসপাতাল থেকে শুরু করে বেসরকারি হাসপাতাল পর্যন্ত চিকিৎসকরা সমন্বিত নির্দেশনা পাচ্ছেন না। এ ছাড়া শিশুমৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণে কোনো ডেথ রিভিউ বা ক্লিনিক্যাল অডিটও হচ্ছে না। এতে একই ভুল বারবার হওয়ার ঝুঁকি থাকছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, শুধু আইসিইউ বাড়ালেই হবে না। দক্ষ জনবল ছাড়া আইসিইউ কার্যকর হয় না। আমাদের বিদ্যমান আইসিইউগুলোকে শিশু উপযোগী করতে হবে এবং অক্সিজেন সাপোর্ট সহজলভ্য করতে হবে। তিনি আরও বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুকে আইসিইউ পর্যন্ত যেতে না দেওয়াই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। উপজেলা পর্যায়ে দ্রুত শনাক্তকরণ, অক্সিজেন থেরাপি এবং কমিউনিটি পর্যায়ে আইসোলেশন নিশ্চিত করা জরুরি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।