নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা: আসছে সুপার এল নিনো, বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা
ইউরোপের ‘ব্যতিক্রমী’ গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহে ধুঁকছে অর্থনীতি, শুকিয়ে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো
নিষেধাজ্ঞার চাপে বিপর্যস্ত ইরান, কঠিন বাস্তবতা স্বীকার করলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
সৌদি-মার্কিন নতুন পারমাণবিক চুক্তি: অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা?
ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বিভক্ত সৌদি-আমিরাত, উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
মধ্যপ্রাচ্য থেকে ২০ হাজার পাকিস্তানিকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বহিষ্কার
সিরিয়ায় ইসরায়েল-তুরস্ক উত্তেজনা: পশ্চিম এশিয়ায় কি নতুন এক ফ্রন্ট খুলছে?
ট্রাম্পের হুমকি পাত্তাই দিল না আফগানরা
আফগানিস্তানের বাগরাম বিমানঘাঁটি দখলে নিতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তা ছাড়তে নারাজ আফগানরা। এ নিয়ে দরকষাকষিতে এগোতে না পেরে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, আফগানিস্তান যদি বাগরাম বিমানঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রকে ফেরত না দেয়, তাহলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে। এরপরও আগের অবস্থানে আফগানিস্তান। যেন তারা ট্রাম্পকে পাত্তাই দিচ্ছে না।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবানরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ বছরের আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় ওয়াশিংটনের পরিচালিত বাগরাম বিমানঘাঁটি হস্তান্তরের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্পের হুমকিকে উড়িয়ে দিয়েছে তারা।
আফগানিস্তানের শাসক তালেবান রোববার বলেছে, আফগানিস্তানের স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রকে পূর্ববর্তী চুক্তিগুলো বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। তাতে বলা হয়েছে, মার্কিনিরা বলপ্রয়োগ করবে না। সে অনুযায়ী, এটি আবারও জোর দিয়ে বলা হচ্ছে যে- অতীতের ব্যর্থ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করার পরিবর্তে বাস্তববাদ এবং যুক্তিসঙ্গততার নীতি গ্রহণ করা উচিত।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের সময় বাগরাম ছিল মার্কিন বাহিনীর প্রধান ঘাঁটি। বিশাল এ ঘাঁটিতে ফাস্টফুড চেইন থেকে শুরু করে বড় শপিং স্টোর পর্যন্ত ছিল। এ ছাড়া, এখানে একটি বড় কারাগার কমপ্লেক্সও ছিল।
২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে তাদের সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়ার পর তালেবান সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে এবং বাগরামসহ বিভিন্ন ঘাঁটি তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশটিতে পুনরায় মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনের বিষয়ে ঘোর আপত্তি জানিয়ে আসছে আফগানিস্তান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাগরাম বিমানঘাঁটি পুনর্দখল করতে গেলে তা একটি পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান হয়ে উঠতে পারে, যেখানে ১০ হাজারের বেশি সেনা প্রয়োজন হবে এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও বসাতে হবে। এ ছাড়াও, ঘাঁটিটি তালেবান, ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও আল কায়েদার মতো জঙ্গিগোষ্ঠীর হুমকিতে থাকবে। ইরান থেকেও মিসাইল হামলার আশঙ্কা রয়েছে, যেমনটি ২০২৫ সালের জুনে কাতারে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ঘটেছিল।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।