গত ছয় মাসে ৪২ হাজারের বেশি ব্যক্তি কুয়েতের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ১৭ মার্চ, ২০২৫
১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
135 ভিউ

আরও খবর

বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা: আসছে সুপার এল নিনো, বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা

ইউরোপের ‘ব্যতিক্রমী’ গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহে ধুঁকছে অর্থনীতি, শুকিয়ে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো

নিষেধাজ্ঞার চাপে বিপর্যস্ত ইরান, কঠিন বাস্তবতা স্বীকার করলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

সৌদি-মার্কিন নতুন পারমাণবিক চুক্তি: অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা?

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বিভক্ত সৌদি-আমিরাত, উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা

মধ্যপ্রাচ্য থেকে ২০ হাজার পাকিস্তানিকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বহিষ্কার

সিরিয়ায় ইসরায়েল-তুরস্ক উত্তেজনা: পশ্চিম এশিয়ায় কি নতুন এক ফ্রন্ট খুলছে?

গত ছয় মাসে ৪২ হাজারের বেশি ব্যক্তি কুয়েতের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ মার্চ, ২০২৫ | ১১:২৮ 135 ভিউ
গত ছয় মাসে ৪২ হাজারের বেশি ব্যক্তি কুয়েতের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন। সরকারের পরিচালিত এক বিস্তৃত প্রশাসনিক পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার উদ্দেশ্য দেশটির নাগরিকত্ব আইন ও বৈধ বসবাস সংক্রান্ত বিধিবিধান মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করা। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে গঠিত একটি সুপ্রিম কমিটি এই প্রক্রিয়া তদারকি করছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনিয়মিতভাবে নাগরিকত্ব পাওয়া, দ্বৈত জাতীয়তার লঙ্ঘন, জালিয়াতির মাধ্যমে নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং ভুল তথ্য উপস্থাপনের মতো বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, পুরো প্রক্রিয়া কুয়েতি আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে এবং দেশটির নাগরিকত্ব ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও অখণ্ডতা বজায় রাখাই এর মূল লক্ষ্য। কুয়েতি আইন অনুযায়ী, জালিয়াতি, অসততা বা জাতীয় নিরাপত্তাকে বিপন্ন করতে পারে—এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নাগরিকত্ব বাতিল করার বিধান রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি একটি নিয়মিত আইনি পর্যালোচনা, যা দেশটির সার্বভৌম অধিকারের মধ্যে পড়ে এবং নাগরিকত্ব সংক্রান্ত রেকর্ড যাচাই ও প্রশাসনিক নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্যই এটি করা হচ্ছে। কুয়েত দ্বৈত নাগরিকত্ব অনুমোদন করে না। ফলে কেউ যদি অন্য দেশের নাগরিকত্ব রেখে কুয়েতি নাগরিকত্ব ধরে রাখেন, তবে আইন অনুসারে তা বাতিলের আওতায় পড়বে। এদিকে, কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নাগরিকত্ব বাতিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও, বিশেষত বিবাহের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া নারীদের ক্ষেত্রে সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, তাদের সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা—যেমন পেনশন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা—পর্যালোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা অযাচিত ভোগান্তির শিকার না হন। সরকারি সূত্রগুলো আবারও নিশ্চিত করেছে যে, এটি কোনো দমনমূলক অভিযান নয়; বরং প্রশাসনিক রেকর্ডের একটি কাঠামোবদ্ধ ও বৈধ পর্যালোচনা, যার উদ্দেশ্য স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং জাতীয় কল্যাণ কর্মসূচির টেকসই বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। কুয়েতের নাগরিকত্ব বাতিলের এই পদক্ষেপ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক উদ্যোগ হলেও, এটি কয়েকটি দিক থেকে উদ্বেগের বিষয় হতে পারে। একদিকে, যদি প্রকৃতপক্ষে জালিয়াতি, ভুল তথ্য বা দ্বৈত নাগরিকত্ব লুকানোর মতো অনিয়ম ঘটে থাকে, তবে এটি সংশোধন করা যুক্তিসঙ্গত। যে কোনো রাষ্ট্রেরই অধিকার আছে তার নাগরিকত্ব ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বৈধতা রক্ষা করার। তবে, এত সংখ্যক মানুষের নাগরিকত্ব একসঙ্গে বাতিল হওয়া প্রশ্ন তুলতে পারে—এই প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত ও মানবিক? বিশেষ করে, যারা দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতে বসবাস করছেন এবং সামাজিক-অর্থনৈতিকভাবে দেশটির অংশ হয়ে উঠেছেন, তাদের কী হবে? প্রশাসনিক নিরীক্ষার নামে যদি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা দুর্বল সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তাহলে এটি একটি মানবাধিকার ইস্যু হয়ে উঠতে পারে। সরকার যেহেতু বলছে, এটি কোনো দমনমূলক পদক্ষেপ নয় এবং সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে, তাই ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া কতটা সুবিচারমূলক ও প্রভাবিত ব্যক্তিদের জন্য সহায়ক হয়, তা পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ভোর ৬টা থেকে শুরু লোডশেডিং, দিনে পাঁচ দফায় বিদ্যুৎহীন থাকবে বুয়েট ভৈরবে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা: আসছে সুপার এল নিনো, বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা ইউরোপের ‘ব্যতিক্রমী’ গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহে ধুঁকছে অর্থনীতি, শুকিয়ে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো নিষেধাজ্ঞার চাপে বিপর্যস্ত ইরান, কঠিন বাস্তবতা স্বীকার করলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান সৌদি-মার্কিন নতুন পারমাণবিক চুক্তি: অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা? ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বিভক্ত সৌদি-আমিরাত, উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু জ্বালানি তেল ক্রয়ে ইউনূস-তারেক সরকারের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অতিরিক্ত ব্যয় ৫.৪৯ বিলিয়ন ডলার পুলিশের শার্ট কেন আসামির পরনে- প্রশ্ন করায় মিলল অদ্ভুত উত্তর ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি পিয়াল আটক এবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ব্যবধানে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ রংপুরে শিক্ষক পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিবৃতি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের ঐতিহাসিক জয় থেকে শোচনীয় হার: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে মুদ্রার দুই পিঠ দেখলো বাংলাদেশ তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামে কৃষকবিদ্রোহ: গোডাউন ভেঙে নিল ১০ হাজার কেজি সার অর্থ সংকট: ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দে খরচ বন্ধের নির্দেশ গ্যাস সংকটে ক্রেতাদের উদ্বেগ, বাংলাদেশ থেকে কমতে পারে পোশাকের ক্রয়াদেশ কোটচাঁদপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের রামদার কোপে ভাই নিহত প্রধান অতিথি না করায় নিজেই ১৪৪ ধারা ডেকে ছাত্রদল নেতা পণ্ড করলেন ৬০ বছরের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুমতি ছাড়াই ভাঙা হলো সেতু: রাজাপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কাণ্ডে বিচ্ছিন্ন ৪ গ্রাম চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে হিমাগারে পচছে বিপুল পরিমাণ আলু, গাড়ি ভরে ফেলে দিতে হচ্ছে প্রতিদিনই