নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা: আসছে সুপার এল নিনো, বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা
ইউরোপের ‘ব্যতিক্রমী’ গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহে ধুঁকছে অর্থনীতি, শুকিয়ে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো
নিষেধাজ্ঞার চাপে বিপর্যস্ত ইরান, কঠিন বাস্তবতা স্বীকার করলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
সৌদি-মার্কিন নতুন পারমাণবিক চুক্তি: অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা?
ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বিভক্ত সৌদি-আমিরাত, উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
মধ্যপ্রাচ্য থেকে ২০ হাজার পাকিস্তানিকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বহিষ্কার
সিরিয়ায় ইসরায়েল-তুরস্ক উত্তেজনা: পশ্চিম এশিয়ায় কি নতুন এক ফ্রন্ট খুলছে?
ইসরাইলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আহ্বান গাজাবাসীকে দয়া করুন
গাজাবাসীর প্রতি ইসরাইলকে দয়া দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানোম গেব্রেয়াসুস। বৃহস্পতিবার ডব্লিউএইচওর বার্ষিক অধিবেশনে এ মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, নিজেদের স্বার্থেই ইসরাইলের শান্তি প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। এএফপি, আলজাজিরা।
গেব্রেয়াসুস বলেছেন, এই যুদ্ধ ইসরাইলকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং এর কোনো স্থায়ী সমাধান আসবে না। তিনি খাদ্যকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা এবং চিকিৎসা সরঞ্জামকে অস্ত্র বানানোকে ‘অন্যায়’ ও ‘নিকৃষ্ট’ বলে অভিহিত করেছেন। টেড্রোস বলেছেন, শুধু একটি রাজনৈতিক সমাধানই প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। আমি আপনাদের কাছে দয়া দেখানোর অনুরোধ জানাচ্ছি। এটি আপনাদের জন্য, ফিলিস্তিনিদের জন্য ও মানবতার জন্য ভালো। শুক্রবার জাতিসংঘের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজাজুড়ে ইসরাইলি হামলার মাত্রা বেড়েই চলেছে। গাজার মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮১ শতাংশ এখন ইসরাইলি বাহিনীর ঘোষিত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি আদেশের মুখে রয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর জানিয়েছে, পুরো শহরকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। নতুন করে শুরু হওয়া ‘গিদিয়নের রথ’ নামক সামরিক অভিযানের পর এই হামলাগুলোর তীব্রতা আরও বেড়েছে। আলজাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর আল-বালাহ শহরে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত নতুন করে ৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫৩ হাজার ৮২২ জন নিহত এবং এক লাখ ২২ হাজার ৩৮২ জন আহত হয়েছেন।
গত সপ্তাহে গাজার চারটি প্রধান হাসপাতাল হামলার শিকার হওয়ায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, গাজা উপত্যকার ৩৬টি হাসপাতালের মধ্যে বর্তমানে ১৯টি চালু আছে, যেখানে কর্মীরা ‘অসম্ভব কঠিন পরিবেশে’ কাজ করছেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, গাজার প্রায় ৯৪ শতাংশ হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। যার ফলে উত্তর গাজার বাসিন্দারা প্রায় সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এদিকে টানা ১১ সপ্তাহের অবরোধের পর প্রায় ১৩০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশ করেছে গাজায়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।