নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ
মানুষের পেটে ভাত নেই, ৭০% ছাড় দিয়েও বিক্রি হচ্ছে না জামা-কাপড়: ব্যবসা নেমেছে এক-তৃতীয়াংশে
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মনপুরায় রাজনৈতিক প্রভাবে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব
পটিয়ায় ছিনতাই হওয়া ২৮৪ বস্তা চিনি চকরিয়া থেকে উদ্ধার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
রিকশাচালক হাফিজুল হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপু মনি
‘আমাকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখো না’
ইউনূসের জাপান সফরের ১৭ মাসঃ পাঁচ বছরে জাপানে ১ লাখ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর চুক্তির অগ্রগতি কতোটা?
জাপানের শ্রমবাজারে দক্ষ ও আধা-দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে পাঁচ বছরে অন্তত এক লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের মে মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের জাপান সফরের সময় এ বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু দেড় বছর পরও বাংলাদেশ থেকে এই উদ্যোগের আওতায় একজন কর্মীও জাপানে পাঠানো না হয়ে থাকলে, চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।
জাপানে ক্রমবর্ধমান শ্রমিকসংকট মোকাবিলায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক তরুণের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে জাপানের শ্রমবাজার গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। দুই দেশের স্বার্থের এই মিল থেকেই এক লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাটি সামনে আসে।
জাপান সরকার ২০২৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ‘এসএসডব্লিউ’ (SSW) ক্যাটাগরির অধীনে ১৬টি খাতে ৮ লাখ ২০ হাজার বিদেশি কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশ যদি কার্যকরভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তবে তারা এই চাহিদার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত—অর্থাৎ ৩ লাখেরও বেশি কর্মী—সরবরাহ করতে সক্ষম হতে পারে।
টোকিওতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কল্যাণ উইং ‘দ্য জাপান টাইমস’-এ সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে জানিয়েছে যে, জাপান ২০২৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ‘এমপ্লয়মেন্ট স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ (ESD) এবং ‘এসএসডব্লিউ’ (SSW)—উভয় ক্যাটাগরি মিলিয়ে প্রায় ১২ লাখ বিদেশি কর্মী নিয়োগের লক্ষ্য নিয়েছে।
২০২৫-এ ড ইউনূসের ১ লাখ কর্মি পাঠানোর চুক্তি
তবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বাস্তবে কর্মী পাঠানো এক বিষয় নয়। ভাষাগত দক্ষতা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের চাহিদা, ভিসা প্রক্রিয়া ও কর্মী বাছাইয়ের মতো একাধিক ধাপ পেরিয়ে তবেই এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব। ফলে ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বাস্তবে কতজন কর্মী পাঠানো হয়েছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন।
জাপানে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো এবং ২০২৫ সালের সরকারি সমঝোতা স্মারকের আওতায় কর্মী পাঠানো এক বিষয় নয়। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে জাপানের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল এক লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড ইউনূসের ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইউনূস সেন্টারে বৈঠক করেন।
যদিও জাপানের মিনিস্ট্র অব ফরেন এফেয়ার্সের ওয়েবসাইটের প্রেস বিবৃতিতে ড ইউনূসের জাপান সফরে আসার ঘোষনা বাদে সফরের বিস্তারিত কোন আলোচনা বা শ্রমিক রপ্তানির চুক্তি সংক্রান্ত কোন বিষয়ের উল্লেখ নেই।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]