নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সেচ্ছাসেবক দলের নেতা বগাকে ধরতে অভিযানে বাধা ডা. শাহাদাতের
‘ব্যবসা করতে হলে টাকা দে’: কুমিল্লায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর পা ভাঙল যুবদল নেতা
বিএনপি ও গণঅধিকারের দখলে বিএলএফ প্রধান শেখ মনির দৈনিক বাংলার বাণী ভবন
সুনামগঞ্জে চাঁদাবাজির সময় জামায়াতের রোকন ও দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধিকে গণধোলাই
কুমিল্লায় বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-অগ্নিসংযোগ: যুবদল-ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধেই মামলা
বাসা থেকে মব করে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শারমিনকে আটক, প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে উদ্বেগ
আওয়ামী লীগের ঠেকানোর মিছিল করতে গিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, দায় চাপল বিএনপির গুপ্তদের ঘাড়ে
হকারকে টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গে যা বললেন শাহরিয়ার কবির
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর জন্য ঢাকা-১৫ আসনে ভোটে চেয়ে প্রচারণার সময় ধারণ করা ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবিরের একটি ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা জন্ম দিয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় পান বিক্রি করেন এমন একজনের সঙ্গে কথা বলছেন শাহরিয়ার কবির। কথা শেষে ওই বিক্রেতাকে এক হাজার টাকার একটি নোট দিয়ে যান।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বয়স্ক ওই ব্যক্তির কাছে শাহরিয়ার কবির জানতে চান, ব্যবসা কেমন হচ্ছে, বয়স্ক ব্যক্তি উত্তর দেন মোটামুটি। তখন শাহরিয়ার কবির বলেন, মোটামুটি কেনো? উত্তরে ওই ব্যক্তি বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভালো না। সবাই ভয়ের মধ্যে আতঙ্ক, কোন সময় কী করে বয়। এক পর্যায়ে শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা মুসলমান। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো ক্ষমতা আছে ভালো করার? একইসঙ্গে তিনি জিজ্ঞেস করেন, রিজিকের মালিক কে? আপনার সঙ্গে এই মুহূর্তে আমার দেখা হবে এর মালিক কে? উত্তরে ওই ব্যক্তি বলেন, আল্লাহ। তখন শাহরিয়ার কবির বলেন, তাহলে সে যেটা বলছে তার বাইরে গিয়ে দেশ চললে ভালো হবে? এরপর চলে যাওয়ার সময় তিনি ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট গুঁজে দেন।
এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) শাহরিয়ার কবির গণমাধ্যমে বলেন, মানুষের সাহায্য করা বিপদ হয়ে গেল। দোকানে বাচ্চাদের সাহায্য করাটা (খেলনা কিনতে টাকা দেওয়া) বিপদ হলো না কিন্তু গরিব মানুষটাকে সাহায্য করাটা বিপদ হয়ে গেল।
নির্বাচনি প্রচারণার সময় এভাবে টাকা দেওয়ার মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা হয়েছে আমার। তিনি বলছিলেন তার সারাদিন বিক্রি হয়নি। আমি মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে এক হাজার টাকা দিয়েছি। এটা সব ক্যামেরার সামনেই। এক্ষেত্রে তার কাছে আমি তো ভোট চাইনি। এই ব্যক্তির আগে পরে আমি ছোট ছোট বাচ্চাদেরও খেলার সামগ্রী কিনতে টাকা দিয়েছি। এগুলো সব অনেকগুলো ক্যামেরার সামনেই দিয়েছি।
তিনি বলেন, আমি বাচ্চাদেরও টাকা দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম যে, তোমরা আবার ভেবো না যে, নির্বচনের জন্য এটা দিচ্ছি। (হকারকে টাকা দেয়া) একই জায়গার ঘটনা। গরিব মানুষেরটা ইস্যু হয়ে গেল আর বাচ্চাদেরটা ইস্যু হলো না!
উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৭৫ নম্বর অনুচ্ছেদে ‘ঘুষ’ গ্রহণ ও প্রদানের অপরাধ সম্পর্কে বলা আছে, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ভোটারকে নির্বাচনে ভোট দিতে উৎসাহিত করার জন্য অথবা ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে টাকা (ঘুষ) দেন, প্রস্তাব দেন বা প্রতিশ্রুতি দেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এটিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে নিরূপণ করা হয়েছে।
২০০৮ সালের নির্বাচনি আচরণবিধি অনুসারে, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত প্রার্থীর নির্বাচনি এলাকায় বসবাসকারী কোন ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা উক্ত এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোন প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোন প্রকার চাঁদা বা অনুদান প্রদান করতে বা প্রদানের অঙ্গীকার করতে পারবেন না।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]