নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া
এবারও কলকাতার বইমেলায় থাকছে না বাংলাদেশ
বিক্ষোভ ‘নিয়ন্ত্রণের’ দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপেও রাজি
জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু
ইরানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি
মার্কিন আগ্রাসনের প্রশংসায় মাচাদো, বললেন ট্রাম্প নোবেলের যোগ্য
শান্তিতে নোবেল পাওয়ার পর গত অক্টোবরেই তা মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেন মারিয়া কোরিনা মাচাদো। এবার একটি মার্কিন গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিতে নোবেল পাওয়ার যোগ্য।
ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে সোমবার ভার্চুয়ালি যুক্ত হন মাচাদো। গত মাসে তিনি পুরস্কার নিতে নরওয়েতে যান। এরপর আর ভেনেজুয়েলায় ফেরেননি। অনুষ্ঠানে মাচাদোর কাছে পুরস্কার উৎসর্গের কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি বলেন, ‘ওই সময় (অক্টোবর) আমি বিশ্বাস করতাম তিনি (ট্রাম্প) এর (নোবেল) যোগ্য। বেশিরভাগ মানুষই এখন বলছেন, ট্রাম্প গত শনিবার যা করেছেন, তা অর্জন করা ছিল অসম্ভব।’
নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়া ও বিচারের মুখোমুখি করার প্রশংসাও করেছেন মাচাদো। বলেছেন, ভেনেজুয়েলার ইতিহাসে ৩ জানুয়ারি অনন্য হয়ে থাকবে। এটি কেবল ভেনেজুয়েলার মানুষের ভবিষ্যতের জন্য নয়, এটি মানবতা, স্বাধীনতার জন্যও বড় পদক্ষেপ।
নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সময় নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি মাচাদো সম্পর্কে বলেছিল, তিনি ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলস চেষ্টা করেছেন। ‘স্বৈরশাসক’ মাদুরোর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে। গত শনিবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের আদেশে নিকোলাস মাদুরোকে কারাকাস থেকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী। এরপর থেকে বিভিন্ন দেশের নেতারা এমন পদক্ষেপকে আগ্রাসন, বলপ্রয়োগ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ভেনেজুয়েলার সবশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মাচাদোর প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার কথা ছিল। কিন্তু তাঁর প্রার্থীতা বাতিল হলে আরেক নেতা এডমুন্ডো গঞ্জালেস উরুতিয়াকে সমর্থন দেন। নোবেল পাওয়ার পর তাঁকে ‘ডাইনি’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছিলেন নিকোলাস মাদুরো।
লাতিন আমেরিকার তেল ও খনিজ সমৃদ্ধ দেশটিতে ২০১৩ সাল থেকে ক্ষমতায় ছিলেন মাদুরো। গত বছরের শেষ দিক থেকে তাঁর ওপর চাপ প্রয়োগ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। অভিযোগ তোলা হয়, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত। তাঁর ক্ষমতায় থাকা উচিত নয় বলেও বিভিন্ন সময় মন্তব্য করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মাচাদো কবে ভেনেজুয়েলায় ফিরবেন তা এখনো স্পষ্ট নয়। সোমবার দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। কারাকাসে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে শপথগ্রহণ শেষে তিনি মাদুরোকে তুলে নেওয়ার ঘটনাকে ‘অপহরণ’ হিসেবে অ্যাখ্যা দেন। বলেন, এ ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। বিবিসি জানিয়েছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি শুরু হয় মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের মুক্তির দাবি জানিয়ে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।