ইরানে হাঁটু গেড়ে করজোড়ে নেতানিয়াহু – বর্ণমালা টেলিভিশন

ইরানে হাঁটু গেড়ে করজোড়ে নেতানিয়াহু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ জুলাই, ২০২৫ | ১০:১৩ 92 ভিউ
ইরানের শিরাজের ব্যস্ত রাস্তায় এক বিশাল বিলবোর্ড। যেখানে লেখা : ‘যুগে যুগে সাহসীর গর্ব, নত করেছে অহংকারীদের মাথা।’ ঘোড়ায় বসা প্রাচীন পারস্যের বীর সম্রাট ‘শাপুর প্রথম’। তার চোখে বিজয়ের তৃপ্ত আÍবিশ্বাস। ঠিক তার সামনেই হাঁটু গেড়ে নতজানু হয়ে আছেন আধুনিক সময়ের বিতর্কিত নেতা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এবারই শুধু নয়, ইরানিদের কাছে ‘নেতানিয়াহুর অসহায় আত্মসমর্পণ’ ইসরাইলের অন্তত কালের পরাজয়! ঘোড়ার মাথার কাছে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও। ছবিটি প্রতীকী হলেও ইরানের বিজয়গাথার এ দৃশ্য নতুন নয়। বরং হাজার বছর আগের প্রাচীন ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি। ইসরাইল নামের কোনো ভ্রুণ-অস্তিত্বও ছিল না তখন পৃথিবীর গর্ভে। তৃতীয় শতাব্দীতে পারস্য সম্রাট ‘শাপুর প্রথম’ রোমান সম্রাট ভ্যালেরিয়ানকে যুদ্ধে হারিয়ে বন্দি করেন। রোমান সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণের সেই দৃশ্য তখনই খোদাই করে রাখা হয় ইরানের ফার্স প্রদেশের প্রায় ১২ কিমি. উত্তর-পশ্চিমের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ‘নকশ-ই রোস্তম’র পাথরে। বিজয়ের সেই স্মৃতিকে চিরস্থায়ী করতে সম্রাট শাপুর প্রথম নির্দেশেই তখন এটি খোদাই করা হয়। যেখানে দেখা যায়, সম্রাট শাপুর তার ঘোড়ায় বসে আছেন আর সামনে নতজানু হয়ে ভ্যালেরিয়ান আত্মসমর্পণ করছেন। আজ, সেই গৌরবই আবার নতুন রূপে ফিরে এসেছে ফার্সের রাজধানী শিরাজের ব্যস্ত সড়কে। টানা ১২ দিনের (১৩ জুন-২৪ জুন) যুদ্ধজয়ের পর ইরানের অস্থিমজ্জায় মিশে থাকা পুরাতন সেই অতীতকেই যেন ইসরাইলের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ফার্সবাসী। পারস্য সাম্রাজ্যের স্বর্ণালি সেই ইতহাস আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিল ইসরাইলের মুনিব রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও। ইতিহাস ও গৌরবের সম্মিলনে তৈরি এই পোস্টার যেন নেতানিয়াহুর অবনমন ও ইরানের আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ২৫৯-২৬০ খ্রিষ্টাব্দে এডেসার যুদ্ধে সম্রাট শাপুর প্রথম রোমান বাহিনীকে ভয়ংকরভাবে পরাজিত করেন। যুদ্ধে ভ্যালেরিয়ান আত্মসমর্পণ করেন এবং শাপুর প্রথমের হাতে বন্দি হন। রোমান ইতিহাসে প্রথমবার কোনো সম্রাট শত্রুপক্ষের কাছে জীবিত অবস্থায় বন্দি হন। বিভিন্ন প্রাচীন পারস্য সূত্র অনুযায়ী, ভ্যালেরিয়ানকে দাসের মতো ব্যবহার করতেন শাপুর। নিজের ঘোড়ায় উঠার জন্য ভ্যালেরিয়ানের পিঠকে পদতল হিসাবে ব্যবহার করতেন বলেও প্রচলিত আছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আহ্বান, ‘সংস্কার পরিষদ’ বলে কিছু নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস আজ ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত সরকারের জবাবের ওপর নির্ভর করবে : আজহারুল ইসলাম জ্বালানি তেল নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী ঈদের আগে সংসদে প্রশ্নোত্তর ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনা ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি ঠেকাতে থাকছে মোবাইল কোর্ট হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে জাপানকে ট্রাম্পের চাপ ঈদ ঘিরে চাঙ্গা অর্থনীতি সংরক্ষিত নারী আসন পাচ্ছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মনোনয়ন পাবেন যিনি ট্রাম্পের আহ্বানে ফ্রান্স কি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? ইরাকে নিহত ৬ মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ পিছু হটেছে মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকন ইরানের পক্ষে লিখলে সংবাদমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিলের হুমকি লেবাননের জনগণের সঙ্গে সংহতি জানাতে বৈরুতে জাতিসংঘের মহাসচিব মার্কিন সেই সামরিক উড়োজাহাজ ভূপাতিত করার দাবি ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী ছড়াতে পারে দেশে দেশে: বিজ্ঞানীদের সতর্কতা মাত্র ৫ বছর বয়সে সন্তান জন্ম দেয় যে শিশু গ্রহাণু বিপর্যয়ই ডাইনোসরদের নিশ্চিহ্নের কারণ, দাবি নতুন গবেষণায় সুন্দরবনে পর্যটক বৃদ্ধি-জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ২০ বছরের মাস্টারপ্ল্যান রাজনৈতিক অস্থিরতা: বিনিয়োগে ধস, অনিশ্চয়তায় থমকে গেছে বিদেশি পুঁজি