আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশের জামাতিরা বেশি লাফালাফি করছে : শুভেন্দু – বর্ণমালা টেলিভিশন

আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশের জামাতিরা বেশি লাফালাফি করছে : শুভেন্দু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ May, ২০২৬ | ৮:১২ 76 ভিউ
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিআইএমের মতো রাজ্যের বিরোধীদলগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের জামাতিরা বেশি লাফালাফি করছে। এসময় তার মুখ্যমন্ত্রী হওয়াতে বাংলাদেশের জামাতিদের অস্বস্তি বেড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় কলকাতার ভবানীপুরে আয়োজিত এক ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ভবানীপুর আসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে শুভেন্দু বলেন, সীমান্ত সুরক্ষিত করা, অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করে ফেরত পাঠানো এবং দেশকে নিরাপদ রাখা বিজেপি সরকারের অঙ্গীকার। তিনি বলেন, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়াতে তৃণমূল, সিপিএম বা কংগ্রেস যতটা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, তার চেয়ে বেশি অস্বস্তিতে রয়েছে বাংলাদেশের জামাতিরা। কিন্তু আমি ভয় পাওয়ার লোক নই, মাথা নোয়ানোর লোকও নই।’ সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ভোটার তালিকায় অ-ভারতীয়দের শনাক্ত করা হয়েছে এবং অনেকের নাম বাতিলও করা হয়েছে। এবার তাদের ফেরত পাঠানোর সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। রোববার (১৭ মে) কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায়ও কড়া হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, পুলিশের দিকে ইট-পাথর ছোড়া হলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। আসানসোলে পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে সোমবার মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠকে ধর্মীয় ভিত্তিতে দেওয়া সব ধরনের ভাতা বন্ধের ঘোষণা দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এর ফলে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিত ভাতা বন্ধ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, সরকারের কাজ কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ভাতা দেওয়া নয় বরং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। তিনি জানান, ভাতার জন্য বরাদ্দ অর্থ এখন ‘বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ’ প্রকল্পে ব্যয় করা হবে, যাতে সব ধর্মের শিক্ষার্থীরা সমানভাবে উপকৃত হতে পারে। উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম দুই আসনেই বিজেপি প্রার্থী হিসেবে জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
৬ কোটি টাকা মূল্যের খাস জমি দখল করে জামায়াত আমিরের বহুতল ভবন নির্মাণ পিরোজপুরে পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা, তাঁতীদল নেতা মানিক হাওলাদার গ্রেপ্তার শ্রমিক নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও ওসি প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম অটোরিকশা সংগঠনের ক্ষমতার দাপটে ফাউ খাওয়ার ধুম, বকেয়া টাকা চাইলে ক্যান্টিন বন্ধের হুমকি চবি ছাত্রদল নেতার ব্যানারে অতি ক্ষুদ্র অক্ষরে শেখ হাসিনা সরকারের শিক্ষকবিষয়ক স্লোগান: প্রধান শিক্ষক আটক, রাজনৈতিক মামলা সাংবাদিকতার কারণে রূপা-বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহারের আহ্বান অ্যামনেস্টির সুনামগঞ্জে চাঁদাবাজির সময় জামায়াতের রোকন ও দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধিকে গণধোলাই কুমিল্লায় বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-অগ্নিসংযোগ: যুবদল-ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধেই মামলা বাসা থেকে মব করে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শারমিনকে আটক, প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে উদ্বেগ ৬ মাসে অন্তত ১৮৭ শিশু যথেচ্ছ গ্রেপ্তার, ১২৭ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে: মানবাধিকার সংস্থা জেএমবিএফের উদ্বেগ “তৃতীয় বিশ্বের নরক” থেকে অভিবাসন নিষিদ্ধের বিল নিয়ে ন্যান্সি মেইস: ভাষা ও নীতি দুটোই বিতর্কের কেন্দ্রে, মার্কিন জনমত বাড়ছে পুঞ্জীভূত লোকসানে ২২ ব্যাংক, ক্ষতি ২ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা বোমা মেরে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি “ভাত দে কাপড় দে, নইলে গদি ছাইড়া দে”- স্লোগানে প্রকম্পিত প্রেসক্লাব এলাকা চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটির পর এবার সিসিটিও তুলে দেওয়া হচ্ছে বিদেশিদের হাতে বিএনপির কমিটি বিলুপ্তির পর ওসির ‘তৈলাক্ত’ পোস্ট: ‘আমিনুল স্যারকে আবারও আহ্বায়ক চাই’ এলপিজির দাম বাড়ানো হলো ২৫২ টাকা, বাজারে এমনিতেও পাওয়া যায় না সরকার নির্ধারিত দামে! বৈশ্বিক লিঙ্গ সমতা সূচকঃ ২০ বছরে বেড়েছিল ৮.৫ পয়েন্ট, এক বছরেই কমলো ৬.২; নারীর রাজনীতিতে ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ কমেছে ‘আউটসোর্সিং’ করে নরসিংদী থেকে ‘ফ্রিল্যান্সার’ ভাড়ায় এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পেঁয়াজের বাজারে: ‘আমরা দিনে এনে দিনে খাওয়া মানুষ, দাম বাড়লে কীভাবে বাঁচবো?’