গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ৬ November, ২০২৬
৮:৩০ pm
8 ভিউ

গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ November, ২০২৬ | ৮:৩০ 8 ভিউ

গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু শিরোনামের সঙ্গে, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেছনের কয়েকটি পরিচিত কারণের পাশাপাশি লেখকের নতুন গবেষণার ভিত্তিতে পাঁচটি অতিরিক্ত কারণ উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখক উল্লেখ করেন যে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, ডলারের সংকট, পরিবহন ব্যয়, আমদানি খরচ অথবা সরবরাহের জটিলতা সাধারণত উল্লেখিত হলেও, এগুলোর অধিকাংশই চোখের আড়ালে ঘটে এবং প্রশ্ন তুললে উত্তরও আড়াল থেকেই আসে।

বিজ্ঞাপন

প্রথম হেতু হিসেবে 'রান্নার বইয়ের ষড়যন্ত্র' উপস্থাপিত হয়েছে। আজকাল নতুন রেসিপি বের হওয়ায় রান্নাঘরে গ্যাসের ব্যবহার বাড়ছে, ফলে গ্যাসের চাহিদা ও সাপ্লাইয়ের মধ্যে অসমতা তৈরি হয়েছে। সিলিন্ডার কোম্পানি গ্যাস সরবরাহে অক্ষম হয়ে দাম বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই গ্যাসের দাম বাড়ার একটি কারণ হিসেবে এটি উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্যাসের দাম বাড়েনি, মানুষ এখনো পুরোনো দামে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে! সমস্যাটি মানুষের মানসিকতায়। মানুষ এখনো মনে করে রান্নার গ্যাস একটি সাধারণ প্রয়োজনীয় পণ্য। অথচ গ্যাস ইতিমধ্যে বিলাসপণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভবিষ্যতে গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে গেলে শুধু টাকা দিলেই হবে না, সঙ্গে জমা দিতে হবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আয়কর রিটার্ন এবং পারিবারিক সম্পদের বিবরণী।

দ্বিতীয় হেতু 'সিলিন্ডারের আত্মসম্মানের সংকট' হিসেবে উল্লিখিত হয়েছে। সিলিন্ডারের ঘরে বড় করে লেখা থাকে ১২ কেজি, যা সিলিন্ডারের মনকে ক্ষুন্ন করেছে। সিলিন্ডার দাবি করে যে ওজনের ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ না করে, ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক মর্যাদা অনুসারে মূল্য নির্ধারণ করা উচিত, এবং এ পরিবর্তনের ফলে গ্যাসের দামও বেড়েছে।

তৃতীয় হেতু 'সিলিন্ডারের ভেতরে জায়গার সংকট' নিয়ে বলা হয়েছে যে, পূর্বে ১২ কেজি সিলিন্ডারে সম্পূর্ণ গ্যাস থাকত, কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিশ্ব অর্থনীতি, ডলারের সংকট ইত্যাদি বিষয় সিলিন্ডারের ভিতরে ঢুকে গ্যাসের জন্য স্থান কমিয়ে দিয়েছে। ফলে একই দামে কম গ্যাস পাওয়া যায় এবং সংবাদমাধ্যমে এটিকেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি হিসাবে প্রচার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

চতুর্থ হেতু 'অটোরিকশা টেসলার জটিল কারসাজি' হিসেবে টেসলা গ্যাসচালিত গাড়ির মালিকদের ব্যথা বাড়িয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের টেসলা গাড়িতে পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করেছে। দাম বাড়ার সঙ্গে গ্যাসচালিত গাড়ির ব্যবহারকারীর কষ্ট বাড়ে এবং টেসলা কোম্পানির যাত্রীসংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

পঞ্চম হেতু 'পুতুলের পাইপলাইনে পুতুল আটকে যাওয়া' সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, রাস্তায় খেলার সময় একটি শিশুর কাপড় দিয়ে তৈরি পুতুল গ্যাসের পাইপলাইনে পড়ে যায় এবং তা উদ্ধার করতে কেউ রাজি নয়। উদ্ধারের জন্য উচ্চ মজুরি দাবি করা হচ্ছে, যা দেশের জ্বালানিসংকটের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

উপসংহার: আদতে গ্যাসের দাম বাড়েনি! গ্যাসের দাম বাড়েনি, মানুষ এখনো পুরোনো দামে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে! সমস্যাটি মানুষের মানসিকতায়। মানুষ এখনো মনে করে রান্নার গ্যাস একটি সাধারণ প্রয়োজনীয় পণ্য। অথচ গ্যাস ইতিমধ্যে বিলাসপণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভবিষ্যতে গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে গেলে শুধু টাকা দিলেই হবে না, সঙ্গে জমা দিতে হবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আয়কর রিটার্ন এবং পারিবারিক সম্পদের বিবরণী। প্রয়োজনে সিলিন্ডার কেনার আগে ক্রেতার আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য সাক্ষাৎকারও নেওয়া হতে পারে। তখন আর প্রশ্ন থাকবে না, ‘একটা সিলিন্ডারের দাম কত?’ প্রশ্ন হবে, ‘সিলিন্ডার কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্য আপনার আছে তো?’

বিশ্বাসঘাতক কয়েল ও বড় ভাই মশাআজব দেশে মীনারসালো Billboardকাকালাপপাতি-নেতাদের নামতাএকটি প্রকল্পের আত্মকাহিনিস্যরি!

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের