নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অর্থমন্ত্রী: বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই
গ্রামের রাস্তা মেরামতে ৮০টি কম্পিউটার, ৩০ লাখের সফটওয়্যার: পরামর্শকের ১৪ কোটি, লাগবে ১৪০টি বাইক-জিপ
বিদ্যুৎহীন চমেক হাসপাতালে স্থবির চিকিৎসা, দুর্ভোগে রোগীরা
রূপপুরের শুধু প্রথম ইউনিট থেকেই রাষ্ট্রের সাশ্রয় হবে ১০০ কোটি ডলারের বেশি
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত জারদারি, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ
১০-১২ বার লোডশেডিং: অন্ধকারে ডুবছে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ যাত্রীরা
শেখ হাসিনার সময় বিরোধিতা করা হলেও এখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির নির্দেশ তারেক সরকারের
গুলিস্তানে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ‘দরবেশ চক্র’: দফায় দফায় টাকা দিয়ে বিপর্যস্ত ব্যবসায়ীরা
রাজধানীর অন্যতম প্রধান ও ব্যস্ততম বাণিজ্য কেন্দ্র গুলিস্তানে বিভিন্ন মার্কেট ঘিরে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাজারো ব্যবসায়ী ও কর্মচারীর কোলাহলে মুখরিত এই বাণিজ্যিক এলাকায় ব্যবসার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে অদৃশ্য এক মানসিক চাপে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বিভিন্ন অজুহাতে আদায় করা এই অতিরিক্ত অর্থের নেপথ্যে সক্রিয় রয়েছে কথিত ‘দরবেশ চক্র’।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন অপরাধের মামলা রয়েছে। বিএনপির বড় বড় নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় গড়ে উঠেছে এই চাঁদাবাজ চক্র। ৫ই আগস্টের পর সিন্ডিকেট গড়ে তুলে চাঁদাবাজ চক্রটি পরিচালনা করছেন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মিলে।
দোকান পরিচালনার নির্ধারিত খরচের বাইরে বিভিন্ন খাতে নিয়মিত টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। অর্থ আদায় করা হচ্ছে যেসব খাতে:
• জায়গা ব্যবহার: দোকানের সামনের অংশ বা যাতায়াতের পথ ব্যবহারের নামে
• নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা: মার্কেট পাহারা দেওয়া কিংবা তথাকথিত ব্যবস্থাপনা সুবিধার কথা বলে
• নির্ধারিত হার: নির্দিষ্ট সময় পর পর টাকা দাবি করা হয়, যার পরিমাণও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করা থাকে
সরাসরি হুমকি না দিলেও টাকা না দিলে ব্যবসা পরিচালনায় সূক্ষ্ম প্রশাসনিক ও মানসিক চাপ তৈরি করা হয়। ফলে লোকসান ও ঝামেলার ভয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা নীরবে তা মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
শত শত দোকান থেকে প্রতিদিন উত্তোলিত বিপুল পরিমাণ এই অর্থের কোনো বৈধ হিসাব বা রসিদ প্রদান করা হয় না।
ব্যবসায়ীরা প্রশ্ন তুলেছেন— যদি এই ফি বৈধ মার্কেট ব্যবস্থাপনার অংশ হয়, তবে ব্যাংকিং চ্যানেলে না গিয়ে বা রসিদ ছাড়া কোথায় যাচ্ছে এই অর্থ? অর্থপ্রবাহের সঠিক গন্তব্য বের করতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভবিষ্যতে ব্যবসার ওপর হামলা বা ক্ষতির আশঙ্কায় অধিকাংশ ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে কারও নাম বলতে সাহস পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করতে এবং নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে তথ্য দিতে প্রশাসনের কাছে একটি বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
প্রতিটি মার্কেটে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে গোপন ‘অভিযোগ বাক্স’ স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা অপরাধীদের নাম, চাঁদার পরিমাণ ও আদায়ের মাধ্যম সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরতে পারবেন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।