নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শরীয়তপুরে সরকারি জমি দখল করে নির্মিত যুবদল নেতার ক্লাব গুঁড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত
চাচার বাড়ি থেকে ফেরার পথে শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৮ জনের মৃত্যু
উলিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে রাতভর ধর্ষণ
মাদ্রাসাছাত্রকে বছরজুড়ে শিক্ষক ও ৩ ছাত্রের ধর্ষণ: ‘ইসলামের স্বার্থে’ আপোস মীমাংসায় অভিভাবকদের সম্মতি
ফুটপাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ, বিএনপিকর্মী ল্যাংড়া খোকন পলাতক
সোনাগাজীতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে অর্ধকোটি টাকার মাছবোঝাই ট্রাক ছিনতাই
মুক্তিপণের টাকা নিতে এসে পুলিশি জালে ধরা এনসিপির ২ নেতা, ছাড়াতে থানায় মব- গ্রেপ্তার আরও ৩
দিনাজপুরে মুক্তিপণের টাকা নিতে এসে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দুই নেতা আটক হয়েছেন। এ সময় অপহৃত মধ্যবয়সী এক ব্যক্তিকেও উদ্ধার করা হয়। পরে আটক এনসিপি নেতাদের ছাড়িয়ে নিতে থানায় গিয়ে তদবির এবং পরে মব করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনায় আরও তিনজন আটক হন।
এ ঘটনায় পাঁচজনকেই অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৭ই জুলাই, মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি নুরন্নবী।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন, এনসিপির দিনাজপুর জেলা কমিটির সদস্য বলে পুলিশের দাবি করা হাসীন ইসরাক মিম (২২), মিনাজ (২৯), প্রেম (২২) ও হৃদয় ইসলাম (২২)।
পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার খোসালপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সামাদকে (৫৮) রোববার রাতে তার বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর তার পরিবারের কাছে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে সামাদকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে তার ছেলে মো. মামুনকে সোমবার বিকেলে শহরের গোর-এ-শহীদ বড় মাঠের মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডে ডেকে পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি প্রাইভেটকার থেকে সামাদকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই আরিফ মুন ও হাসীন ইসরাক মিমকে হাতেনাতে ধরা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক নেতাদের থানায় নেওয়ার পর এনসিপি ও যুবশক্তির কয়েকজন নেতাকর্মী তাদের ছাড়িয়ে নিতে আসেন। পুলিশের সাথে বাগ্বিতণ্ডার পর সেখানে মব করতে উদ্যত হন এনসিপি নেতারা। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
পরে ওই ঘটনায় এনসিপির মিনাজ, প্রেম ও হৃদয় ইসলামকে আটক করা হয়।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মামুন কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় পাঁচজনের নাম দিয়ে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সোমবার রাতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা কোতোয়ালি থানায় গিয়ে আটক এনসিপি নেতাকর্মীদের শাস্তির দাবি জানান। পরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে এনসিপি-সমর্থকদের থানা এলাকা থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ওসি নুরন্নবী বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, টাকা লেনদেন-সংক্রান্ত একটি বিষয় রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।”
জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শামসুল মুক্তাদির দাবি করেন, গ্রেপ্তার হওয়া হাসীন ইসরাক মিম জেলা কমিটির সদস্য নন।
তিনি বলেন, “আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। কেউ অপরাধ করে থাকলে তার শাস্তি হওয়া উচিত।”
