নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
দেশের ১২ জেলায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আভাস
নিজ খরচে অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে আসতে চান খুরশীদ আলম
শেখ হাসিনা, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ‘প্লট জালিয়াতির’ তিন মামলার অন্যতম আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম নিজ খরচে অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে আসতে চান। পাশাপাশি কারাগারে ডিভিশনও চেয়েছেন তিনি।
বুধবার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এই দুটি আবেদন করেন আসামি খুরশীদ।
তার পক্ষে অ্যাডভোকেট শাহিনুর রহমান শুনানি করেন। শুনানি নিয়ে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন শাহিনুর।
আবেদনে বলা হয়, ‘খুরশীদ আলম একজন প্রতিষ্ঠিত ও সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি অভ্যাসগত অপরাধী না। বিসিএস ত্রয়োদশ ব্যাচের সদস্য। বিভিন্ন জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বয়স ৬১ বছর। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত চেকআপ ও ওষুধ সেবন করেন।’ জীবনযাপন ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে নিজ খরচায় অ্যাম্বুলেন্সে আনা নেওয়া এবং তার ডিভিশনের প্রার্থনা করেন আইনজীবী।
এর আগে এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন খুরশীদ। শুনানি নিয়ে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গত ৩১ জুলাই এই তিন মামলাসহ পৃথক ছয় মামলায় শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা পরিবারের সাত সদস্যসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের তিন মামলার তিন বাদী গত ১১ আগস্ট সাক্ষ্য দেন। এরপর ২৬ আগস্ট ১৭ জন, ২ সেপ্টেম্বর ১৮ জন, ১৭ সেপ্টেম্বর ১০ জন, ৩০ সেপ্টেম্বর ৯ জন এবং ১৫ অক্টোবর ১২ জন সাক্ষ্য দেন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।