বিরামপুরে জামাই ত্যা মামলার দীর্ঘ ২২ বছর পর স্ত্রী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে যাবজ্জীবন – বর্ণমালা টেলিভিশন

বিরামপুরে জামাই ত্যা মামলার দীর্ঘ ২২ বছর পর স্ত্রী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে যাবজ্জীবন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ February, ২০২৫ | ৬:৫৯ 208 ভিউ
যশোর শহরতলীর বিরামপুরের জামাই সুশান্ত কুমার ধর হত্যা মামলার দীর্ঘ ২২ বছর পর স্ত্রী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দিয়েছে একটি আদালত। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জয়ন্তীকে খালাস দেয়া হয়েছে। সোমবার বিশেষ দায়রা জজ ও বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এস এম নূরুল ইসলাম এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্পোশাল পিপি অ্যাডভোকেট আমিনুর রহমান। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, নিহত সুশান্ত কুমার ধরের শ্বশুর সন্যাসী কুমার বিশ্বাস, শাশুড়ি করুনা রাণী ও স্ত্রী ইতি রাণী। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০০০ সালে সাতক্ষীরা তালার মির্জাপুর গ্রামের কৃষ্ণপদ ধরের ছেলে সুশান্ত কুমার ধর পারিবারিকভাবে যশোর শহরতলীর বিরামপুরের সন্যাসী কুমার ধরের মেয়ে ইতি রাণীকে বিয়ে করেন। বিয়ের কয়েক দিন যেতে না যেতে শ্বশুর-শাশুড়ি তার মেয়ে ইতিকে স্বামীর সংসার ছেড়ে চলে আসতে বলে। এ নিয়ে ইতি তার স্বামীর সংসারে চরম অশান্তি শুরু করে। ২০০২ সালের অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে ইতি তার বাবার বাড়ি বেড়াতে আসে। সুশান্ত ১২ অক্টোবর শ্বশুর বাড়ি বেড়াতে যায় পূজা উপলক্ষে। এদিন রাতে শ্বশুরের কাছে শহরের দোকান কিনতে দেয়া চার লাখ টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে কলহের সৃষ্টি হয়। ভোর রাতে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সুশান্তকে গলাকেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই নারায়ন কুমার ধর বাদী হয়ে অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে ১৫ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০০৫ সালের ১০ জুলাই চারজনকে অভিযুক্ত ও তিনজনের অব্যহতি চেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর সার্কেলের এসপি জিলস্নুল ইমান আদালতে চার্জশিট জমা দেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৯০ হাজার উদ্যোক্তাকে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ