ডোপ টেস্ট কিটে ‘মাফিয়াগিরি’ – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ৩ January, ২০২৫
১০:৫৩ pm
214 ভিউ

আরও খবর

ধর্ম অবমাননার কথিত অভিযোগে হত্যার নেতৃত্বে ছিল জামায়াতের নেতাকর্মীরা, বাড়ি-হাসপাতালে দু’দফা মব হামলা

বছরে ইসরায়েল থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার পণ্য আসছে বাংলাদেশে

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ: ৪০ দিন বাকি, সাধারণ পরিষদের রায়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

“তোমরা একা নও, এই দেশ তোমাদেরও”: দুর্গাপূজায় সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে শেখ হাসিনার বার্তা; সম্প্রীতির ডাক

পাকিস্তানে ট্রেনে নারী পর্যটকের মোজা-অন্তর্বাস শুঁকছে পুলিশ: “স্বাভাবিক কিনা?”, উঠেছে প্রশ্ন

সারকাণ্ডে কৃষকের পেটে লাথিঃ অবৈধ বিএনপি সিন্ডিকেটের নগ্ন স্বেচ্ছাচারের প্রমাণপত্র

সারাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের অবাধ চলাফেরায় আপত্তি না থাকলেও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের চলাফেরায় উষ্মা বিপ্লবী পরিষদের

ডোপ টেস্ট কিটে ‘মাফিয়াগিরি’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ January, ২০২৫ | ১০:৫৩ 214 ভিউ
ডোপ টেস্ট বা ড্রাগ টেস্টের কিট কেনাকাটায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারের (এনআইএলএমআরসি) বিরুদ্ধে ‘মাফিয়াগিরির’ অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাহেদ আলী জিন্নাহ দুই ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে তিন বছরে প্রায় ২৭ কোটি টাকার ৬ লাখ কিট কেনেন। বাজারে যে কিট ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় পাওয়া যায়, চক্রটি তা তিন গুণ দরে দরপত্রের চেয়ে ১৩ গুণ দরে কিনেছে। এর মাধ্যমে তারা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করা ও নবায়নে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করে সরকার। পরীক্ষাটি রাজধানীর ছয়টি সরকারি এবং জেলা সদর হাসপাতালে করার সুযোগ ছিল। তবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট হয়েছে এনআইএলএমআরসিতে। তাদের বছরে দুই লাখ ডোপ টেস্ট কিট দরকার। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ তিন বছরে একাধিকবার দরপত্রে উল্লেখ করা তথ্যের চেয়ে ১০ থেকে ১৩ গুণ কিট কিনেছে এনআইএলএমআরসি। এ জন্য আলাদা দরপত্র আহ্বান না করে অন্যটির প্যাকেজ হিসেবে বেশি দামে কিনেছে। সেখানে পছন্দের দরদাতাকে কাজ দিতে বিশেষ শর্ত যুক্ত করা হয়। ফলে অন্যান্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেওয়ার সুযোগই পায়নি। হাতে আসা দরপত্রের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সর্বশেষ ২০২৩ সালের অক্টোবরে ওষুধ ও রাসায়নিক কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করে এনআইএলএমআরসি। এতে কেনার কথা ছিল ১০ হাজার ডোপ টেস্ট কিট। কাজটি বায়োটেক সার্ভিসেস পেলেও কিট সরবরাহ করে এক্সিবায় হেলথ কেয়ার। দরপত্রে ১০ হাজার উল্লেখ থাকলেও কেনা হয় ১ লাখ ৩০ হাজার কিট। আগেও দু’বার অনিময় করে কাজ পায় বায়োটেক সার্ভিসেস। অভিযোগ রয়েছে, বায়োটেককে কাজ দিতে ‘বিশেষ শর্ত’ যুক্ত করা হয়। আর পরিচালকের ইশারায় কিট সরবরাহ করে এক্সিবায় হেলথ কেয়ার। এক্সিবায়ের কর্ণধার মাসুদ রানা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ঘনিষ্ঠজন পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটাতেন। তবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর রাতারাতি ভোল পাল্টে মাসুদ রানা বিএনপি বনে গেছেন বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনআইএলএমআরসি ল্যাবের এক কর্মকর্তা বলেন, ডোপ টেস্টের কিট চীন থেকে আমদানি করা হয়। দেশীয় বাজারেও রয়েছে। বাজার মূল্য ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। তবে এক্সিবিও হেলথ কেয়ার একই কিট দিয়েছে ৪৫০ টাকা দরে। অভিযোগ রয়েছে, আর্থিক সুবিধা নিয়ে তাদের কাজ দিয়েছেন পরিচালক। বাজার ঘুরেও বেশি দামে কিট কেনার প্রমাণ মিলেছে। জানতে চাইলে বায়োটেক সার্ভিসেসের মালিক রমজান আলী বলেন, ‘এনআইএলএমআরসির সাবেক পরিচালক ডা. শাহেদ আলী জিন্নাহর নির্দেশে দরপত্রের মধ্যমে ডোপ টেস্ট কিট কেনা হয়। কাজ আমি পেলেও তিনবারই কিট সরবরাহ করেছে এক্সিবিও হেলথ কেয়ার। অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে জানার থাকলে, তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’ পরে যোগাযোগ করা হলে এক্সিবায় হেলথ কেয়ারের মালিক মাসুদ রানা বলেন, ‘দরপত্রের মাধ্যমে কিট সরবরাহ করেছি। বেশি দামে কেনা হলে সে সময় কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করত। তারা তো করেনি। এখন অনিয়মের অভিযোগ আসা উদ্দেশ্যমূলক।’ অভিযোগের বিষয়ে এনআইএলএমআরসির তৎকালীন পরিচালক ডা. জিন্নাহ বলেন, ‘দীর্ঘদিন আগের শর্তেই কিট কেনা হচ্ছে। নতুন করে বাজারদর যাচাই করা হয়নি।’ দরপত্রের চেয়ে ১৩ গুণ দরে কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের ধারণার তুলনায় প্রতিদিন কয়েক গুণ মানুষ পরীক্ষার জন্য এসেছে। তাই বাধ্য হয়ে বেশি কিনতে হয়েছে।’ পরপর তিন বছর একইভাবে কেনা প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে চাননি ডা. জিন্নাহ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর জানান, তারাও ডোপ টেস্ট কিট কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ধর্ম অবমাননার কথিত অভিযোগে হত্যার নেতৃত্বে ছিল জামায়াতের নেতাকর্মীরা, বাড়ি-হাসপাতালে দু’দফা মব হামলা বছরে ইসরায়েল থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার পণ্য আসছে বাংলাদেশে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ: ৪০ দিন বাকি, সাধারণ পরিষদের রায়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ “তোমরা একা নও, এই দেশ তোমাদেরও”: দুর্গাপূজায় সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে শেখ হাসিনার বার্তা; সম্প্রীতির ডাক পাকিস্তানে ট্রেনে নারী পর্যটকের মোজা-অন্তর্বাস শুঁকছে পুলিশ: “স্বাভাবিক কিনা?”, উঠেছে প্রশ্ন দিল্লি’তে হল্লাঃ আন্দোলনে অংশ নেয়ায় ইমরান খান-কে ভারত ছাড়ার নোটিশ; আজ প্রতীকী অনশন কর্মসূচি আম আদমি পার্টি’র সারকাণ্ডে কৃষকের পেটে লাথিঃ অবৈধ বিএনপি সিন্ডিকেটের নগ্ন স্বেচ্ছাচারের প্রমাণপত্র সারাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের অবাধ চলাফেরায় আপত্তি না থাকলেও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের চলাফেরায় উষ্মা বিপ্লবী পরিষদের নিম্ন প্রবৃদ্ধি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির ফাঁদে বাংলাদেশ, সামনে দীর্ঘ সংকট অপেক্ষমান জ্বালানির ভর্তুকি কমানো—মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চাপ দিচ্ছে আইএমএফ বাংলাদেশে মার্কিন পণ্যের দ্বার উন্মোচনে মেটা-ফেসবুকের শরণাপন্ন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসন; বাংলাদেশ দ্বার খুলতে যাবে কার কাছে? নেত্রকোনায় বাড়িতে একা পেয়ে ৮০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ, ৬৫ বছরের বৃদ্ধ পলাতক টঙ্গীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কারখানা পুড়ে ছাই: মার্কিন ওষুধ-চুক্তির সাথে একসূত্রে গাঁথা? প্রশ্ন কর্মচারীদের টঙ্গীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কারখানা পুড়ে ছাই: মার্কিন ওষুধ-চুক্তির সাথে একসূত্রে গাঁথা? প্রশ্ন কর্মচারীদের মার্কিন চুক্তির খপ্পরে দেশের ওষুধশিল্প: ২০ টাকার ওষুধ হবে ৫০০, কাঁচামাল আমদানিতেও খড়গ মৌখিক তিরস্কার অপরাধ নয়, মব সৃষ্টি-প্রশ্রয় দিয়ে প্রতিহিংসাপরায়ণতা, রিসেট বাটন চেপে সব ধ্বংস করা অপরাধ: হ্যাঁ ইউনূস, আপনি অপরাধী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলে চিকিৎসাধীন যুবককে গণধোলাই দিয়ে হত্যা ইন্ডিয়া টুডে-কে শেখ হাসিনা: “ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের যোগ না দেয়া ‘অপরিণত’ সিন্ধান্ত এবং জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা” কোটার বিরোধিতা করে নেতা হওয়া ফারুক এবার উপসচিব মর্যাদায় বিদ্যুৎ বিভাগের পরিচালক পদে সারের ডিলার নিয়োগে দল-স্বজনপ্রীতি, আর্থিক লেনদেন: ১৭ বছর ‘বঞ্চিত’ থাকায় সরকারের বিশেষ নির্দেশনা