নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকট নিয়ে পোস্ট করায় এনসিপির মবের শিকার ও গ্রেপ্তার স্কুলশিক্ষক
বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও প্রাণনাশের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
হাটহাজারীতে সেনা প্রশিক্ষণে অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনাঃ ট্যাঙ্কের গোলাবর্ষণে ২ সৈনিকের মৃত্যু, আহত ১
লোডশেডিংয়ের সুযোগে চোরের পৌষ মাস: দুই মাসে ২৬ ট্রান্সফরমার চুরি, অন্ধকারে মাদারগঞ্জ
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ এমপির বাড়ি লুটতে গিয়ে ‘শহীদ’ জুলাই কর্মীর পিতা সেপটিক ট্যাংকে পড়ে নিহত
নারায়ণগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর কিশোরী, নিখোঁজ অর্ধ শতাধিক
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত।
সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাসের আগুনে দ্বগ্ধ ১১ জনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু
সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাসের আগুনে দ্বগ্ধ ১১ জনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন সুমন মিয়া ও তার বড় বোন শিউলী আক্তার। রোববার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, শনিবার সাভারের আশুলিয়া থেকে নারী, শিশুসহ ১১ জনকে দগ্ধ অবস্থায় এখানে আনা হয়। তাদের মধ্যে রোববার ভোরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শিউলী আক্তার। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এদিন দুপুর ১২টায় মারা গেছেন সুমন মিয়া। তার শরীরের ৯৯ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
ওই চিকিৎসক আরও বলেন, চিকিৎসাধীন অন্যদের মধ্যে এখনো নয়জনের অবস্থাও শঙ্কামুক্ত নয়। তাদের মধ্যে শারমিনের ৪২, সোয়ায়েদের ২৭, মনির হোসেনের ২০, মাহাদীর ১০, সাকিনের ১৪, সোহেলের ১০, তিন মাসের শিশু সুরাহার ৯, সূর্য বানুর ৭ এবং জহুরা বেগমের শরীরের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শিউলী আক্তারের দেবর জনি আহমেদ বলেন, তার ভাই মনির হোসেন ও ভাবি শিউলী আক্তার তাদের দুই ছেলে মাহাদী এবং সাকিনের মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় সাভারে ভাইয়ের বাসায় শবেবরাতের দিনে বেড়াতে যান। এতে পুরো পরিবারই দ্বগ্ধ হয়েছে।
আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার গুমাইল এলাকায় আমজাদ ব্যাপারীর বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকেন শরীয়তপুরের মো. সুমন। শবেবরাত উপলক্ষ্যে তার বাসায় বেড়াতে যান বড় ভাই, বোন, ভগিনীপতি, ফুপুসহ অন্য স্বজনরা। অতিথিদের আগমনে সুমনের স্ত্রী অন্য রান্নাবান্নার পাশাপাশি পিঠা বানানোর আয়োজন করেছিলেন। বাসায় রান্নার কাজ করা হতো সিলিন্ডারের গ্যাস দিয়ে। অসাবধানতাবশত গ্যাসের চুলায় সুইজ দিয়ে রাখায় ঘরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়। এতে ওই বাসায় থাকা ১১ জনের সবাই দ্বগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
