সকাল না সন্ধ্যা- কখন হাঁটা বেশি উপকারী? – বর্ণমালা টেলিভিশন

সকাল না সন্ধ্যা- কখন হাঁটা বেশি উপকারী?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ | ৬:১৩ 88 ভিউ
হাঁটা শরীরের জন্য কতটা উপকারী এটা কমবেশি সবারই জানা। চিকিৎসকরাও এ কারণে নিয়মিত হাঁটার পরামর্শ দেন। তবে সকাল না সন্ধ্যা কখন হাঁটলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। আবার কখন হাঁটলে শরীরের মেদ ঝরবে তা নিয়েও কেউ কেউ জানতে চান। ওজন ঝরানোর জন্য যে কয়টি পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে শরীরচর্চা অন্যতম। তবে সবাই যে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে পছন্দ করেন, তা নয়। কেউ কেউ যোগাসন করেন, কেউ আবার বাড়িতেই ব্যায়াম করেন। আবার, এমনও অনেকে রয়েছেন, যারা ফিট থাকতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটাহাঁটি করতেই বেশি পছন্দ করেন। কেউ সকালে হাঁটেন কেউ বা সময় না পেলে রাতে খাওয়ার পর হাঁটতে বের হোন। চিকিৎসকরা বলছেন, সকালে হাঁটার বাড়তি কিছু সুবিধা রয়েছে। এই সময়ের বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে নিতে হাঁটলে হাঁপানির সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। হৃৎস্পন্দনের হারও স্বাভাবিক থাকে। এর পাশাপাশি হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। সকালের দিকে হাঁটাহাঁটি করলে শরীর, মন ভালো থাকে। সেই সঙ্গে কাজে গতি আসে। আবার যাদের অনিদ্রাজনিত সমস্যা আছে তারা সকালের দিকে হাঁটলে সুফল পাবেন। সামনেই শীতকাল। এই সময়ে বাতাসে দূষণ এবং পোলেনের মাত্রা বেশি থাকে। তাই অনেক চিকিৎসকের মতে, খুব ভোরে নয়, বরং বেলা বাড়লে বা রোদ উঠলে তবেই হাঁটতে যাওয়া উচিত। তা না হলে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা বাড়তে পারে। যারা সারাদিন সময় পান না তার সন্ধ্যায় কাজ থেকে ফিরে বা রাতে হাঁটতে বের হোন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা দিনের ব্যস্ততার শেষে হাঁটলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়। ক্লান্ত শরীরে ফিরে আসে ফুরফুরে ভাব। এই সময় হাঁটলে ওজনেও কমে। এ সময় সূর্যের তাপ থাকে না। ফলে বেশি ক্ষণ হাঁটলে ক্লান্তি কম হয়। বিভিন্ন গবেষণায় বলছে, হাঁটার কোনও আদর্শ সময় নেই। দিনের যে কোনও সময়ে হাঁটলেই উপকার মিলবে। কে কখন হাঁটবেন, সেটা নির্ভর করছে ওই ব্যক্তির শারীরিক পরিস্থিতি বা পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর। চিকিৎসকরা বলছেন,কোন সময় হাঁটবেন সেটা বড় কথা নয়, হাঁটাটাই বড় বিষয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন