শীতকালে সিওপিডি রোগীদের ঝুঁকি, প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা – বর্ণমালা টেলিভিশন

শীতকালে সিওপিডি রোগীদের ঝুঁকি, প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ | ১০:০৫ 76 ভিউ
সিওপিডি (ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ) হলো দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ, যা ফুসফুসের ক্ষতি এবং শ্বাসনালির প্রদাহের অন্যতম কারণ। বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের বহু এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ, শুষ্ক বাতাস ও ধুলাবালির পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এ সময় দেশের সিওপিডি রোগীদের জন্য সংবেদনশীল। শীতকালীন সিওপিডির উপসর্গ শীতকালে বাংলাদেশে সিওপিডি রোগীদের উপসর্গ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। কারণ এ সময় দেশে স্থানীয়ভাবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া, ধুলাময় রাস্তা, কুয়াশা এবং শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস সংক্রমণ সব মিলিয়ে সিওপিডি রোগীদের সমস্যা হঠাৎ বেড়ে যায়। শীতকালে দেশজুড়ে বাতাসে পিএম ২.৫ ও পিএম ১০ কণার মাত্রা বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় ৩ থেকে ৪ গুণ বাড়ে। দেশে শীতকালে সিওপিডি রোগীরা সাধারণত সকালে বেশি কাশি, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত বা ঘন কফ, কফের রং পরিবর্তন, বুক ভারী লাগা, শোঁ শোঁ শব্দ, সামান্য হাঁটলেই হাঁপ ধরার মতো সমস্যার মুখোমুখি হন। শীতকালে সিওপিডি রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার প্রায় দ্বিগুণ হয়। করণীয় সিওপিডি রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধুলা ও দূষণ থেকে সুরক্ষা নেওয়া, বাইরে বের হলে এন-৯৫ মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। ভোর ও গভীর রাতে বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ধুলাময় রাস্তা ও নির্মাণাধীন এলাকাগুলো এড়িয়ে চলা, একই সঙ্গে শরীর গরম রাখতে মাফলার, টুপি ও মোজা ব্যবহার করা এবং ঠান্ডা বাতাস সরাসরি নাক-মুখে লাগতে না দেওয়া। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বার্ষিক ফ্লু ভ্যাকসিন ও নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন গ্রহণ করা এবং ইনহেলার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে স্পেসার ব্যবহার করা। কখন চিকিৎসা নিতে হবে সিওপিডি রোগীর ক্ষেত্রে অবশ্যই হাসপাতালে যেতে হবে, যদি কাশি হঠাৎ বেড়ে যায়; কফের রং হলুদ/সবুজ/বাদামি হয়; শ্বাস নিতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি কষ্ট হয়; বুকে শোঁ শোঁ বা হুইজিং শব্দ বাড়ে; ওষুধ বা ইনহেলার আগের চেয়ে বেশি গ্রহণ করা; জ্বর ১ থেকে ২ দিনের বেশি স্থায়ী হলে; রাতে ঘুমাতে সমস্যা হলে; অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা মাথা ঘোরা অনুভব হলে। ডা. আফরীন জাহান সহকারী অধ্যাপক, পাবলিক হেলথ বিভাগ আনোয়ার খান মডার্ন বিশ্ববিদ্যালয়

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন