শীতকালে সিওপিডি রোগীদের ঝুঁকি, প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা – বর্ণমালা টেলিভিশন

শীতকালে সিওপিডি রোগীদের ঝুঁকি, প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ | ১০:০৫ 83 ভিউ
সিওপিডি (ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ) হলো দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ, যা ফুসফুসের ক্ষতি এবং শ্বাসনালির প্রদাহের অন্যতম কারণ। বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের বহু এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ, শুষ্ক বাতাস ও ধুলাবালির পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এ সময় দেশের সিওপিডি রোগীদের জন্য সংবেদনশীল। শীতকালীন সিওপিডির উপসর্গ শীতকালে বাংলাদেশে সিওপিডি রোগীদের উপসর্গ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। কারণ এ সময় দেশে স্থানীয়ভাবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া, ধুলাময় রাস্তা, কুয়াশা এবং শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস সংক্রমণ সব মিলিয়ে সিওপিডি রোগীদের সমস্যা হঠাৎ বেড়ে যায়। শীতকালে দেশজুড়ে বাতাসে পিএম ২.৫ ও পিএম ১০ কণার মাত্রা বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় ৩ থেকে ৪ গুণ বাড়ে। দেশে শীতকালে সিওপিডি রোগীরা সাধারণত সকালে বেশি কাশি, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত বা ঘন কফ, কফের রং পরিবর্তন, বুক ভারী লাগা, শোঁ শোঁ শব্দ, সামান্য হাঁটলেই হাঁপ ধরার মতো সমস্যার মুখোমুখি হন। শীতকালে সিওপিডি রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার প্রায় দ্বিগুণ হয়। করণীয় সিওপিডি রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধুলা ও দূষণ থেকে সুরক্ষা নেওয়া, বাইরে বের হলে এন-৯৫ মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। ভোর ও গভীর রাতে বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ধুলাময় রাস্তা ও নির্মাণাধীন এলাকাগুলো এড়িয়ে চলা, একই সঙ্গে শরীর গরম রাখতে মাফলার, টুপি ও মোজা ব্যবহার করা এবং ঠান্ডা বাতাস সরাসরি নাক-মুখে লাগতে না দেওয়া। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বার্ষিক ফ্লু ভ্যাকসিন ও নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন গ্রহণ করা এবং ইনহেলার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে স্পেসার ব্যবহার করা। কখন চিকিৎসা নিতে হবে সিওপিডি রোগীর ক্ষেত্রে অবশ্যই হাসপাতালে যেতে হবে, যদি কাশি হঠাৎ বেড়ে যায়; কফের রং হলুদ/সবুজ/বাদামি হয়; শ্বাস নিতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি কষ্ট হয়; বুকে শোঁ শোঁ বা হুইজিং শব্দ বাড়ে; ওষুধ বা ইনহেলার আগের চেয়ে বেশি গ্রহণ করা; জ্বর ১ থেকে ২ দিনের বেশি স্থায়ী হলে; রাতে ঘুমাতে সমস্যা হলে; অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা মাথা ঘোরা অনুভব হলে। ডা. আফরীন জাহান সহকারী অধ্যাপক, পাবলিক হেলথ বিভাগ আনোয়ার খান মডার্ন বিশ্ববিদ্যালয়

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তুরাগ হত্যাকাণ্ড: বিএনপি ও পুলিশের অস্বীকারের পরেও সত্য উদ্ঘাটন; পুলিশ-বিএনপি’র যৌথ অভিযান ও হামলা! ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্প: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৭১৯, নিখোঁজ অর্ধলক্ষাধিক মার্তিনেল্লির গোলে রোমাঞ্চকর জয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল ‘সংসার চলে না, চিকিৎসা বন্ধ’— ব্যাংক একীভূতকরণের জাঁতাকলে পিষ্ট ৩ কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ পুরান ঢাকায় গণশৌচাগার দখল করে স্বেচ্ছাসেবক দলের কার্যালয় এডিপি বাস্তবায়নে ১৬ বছরের সর্বনিম্ন রেকর্ড: কর্মকর্তাদের সক্ষমতার অভাবে থমকে আছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কোথায় চলেছে দেশ: জ্বালানি সংকটে অচল ১৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কিছু চলছে রেশনিং করে ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে দেশটা দিনে অচল থাকে, রাইতে হারিকেন: স্মরণকালের সর্বোচ্চ লোডশেডিং দেখল বাংলাদেশ সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা: এক বছরেই ১৪৫ কোটি ইউরোর বাজার হারাল বাংলাদেশ আচমকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন স্টোকস ৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়, জিম্বাবুয়ের নিয়ন্ত্রণে ম্যাচ রাবির হলের শূন্য সিটে ওরা কারা? ছাত্রদল পরিচয় দিলেও সভাপতির সন্দেহ ‘শিবির’ পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের ‘ভাইয়া কার্ড বেচে’ স্লোগান: ২ মাস ধরে দিনে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিক্ষুব্ধ গ্রাহকদের সড়ক অবরোধ ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বস্তায় বস্তায় পেঁয়াজ নদীতে ফেলছেন কৃষক, এমপি ব্যস্ত সংসদে ‘তারেক বন্দনায়’ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে বিচারিক নৈতিকতা ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব নিয়ে তীব্র বিতর্ক তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’