নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছেই গেল এনসিটি
১০ দিনে চেলা নদীর পাড় কেটে ২৫ লাখ ঘনফুট বালু খেয়ে নিল বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা
২০ হাজার শ্রমিকের উদ্বেগ-প্রতিবাদ উপেক্ষা করে ১৫ বছরের চুক্তি সম্পন্নঃ DP World-এর হাতে তুলে দেয়া হলো এনসিটি
‘সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছি ধরে নেবেন না’- ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কড়া জবাব
‘উত্তেজনার বশে মামলা করেছিলাম’: ভুল স্বীকার করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা তুলে নিলেন বাদী কফিল উদ্দিন
সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুথি হামলা: নিহত ৩, আহত ৩৬; আহতদের মধ্যে বাংলাদেশি
রামপালে ৪৪২ মে:ও: সৌরবিদ্যুৎঃ উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও সৌদি বিনিয়োগ আওয়ামীলীগ আমলেই; জানালেন সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
রূপপুরে প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি
দীর্ঘ অপেক্ষার পর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বড় অগ্রগতি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার এই ইউনিটের চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। বিদ্যুৎ উৎপাদনের আগে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি। এ ধাপকে বলা হয় ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’।
বায়রা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আরও দুটি অনুমোদন নিতে হবে বলে তিনি জানান।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথম ইউনিটের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভালভে জটিলতা দেখা দেওয়ায় এতদিন অনুমোদন আটকে ছিল। স্বয়ংক্রিয়ভাবে চাপ কমানোর ওই ভালভের সমস্যা সমাধানে রাশিয়া থেকে বিশেষজ্ঞ দল আসে। তাদের কাজের পর একাধিক পরীক্ষায় ব্যবস্থাটি সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়। ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর পরবর্তী ধাপে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনুমোদনের পর প্রথমে চুল্লিতে খুব কম শক্তিতে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু করা হবে। এটিই ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। এ সময় চুল্লির বিভিন্ন ব্যবস্থা, নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে কিনা, তা পরীক্ষা করা হবে।
এই পরীক্ষা ও প্রস্তুতির পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন লাগতে পারে। সবকিছু ঠিক থাকলে ধীরে ধীরে চুল্লির শক্তি বাড়ানো হবে। এরপর শুরু হবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি।
পরের ধাপে চুল্লির ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি টারবাইন চালু করা হবে। এরপর জেনারেটরকে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এ জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাকারী সংস্থাকে বায়রার কাছ থেকে আরও একটি পরিচালন অনুমোদন নিতে হবে।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা জানান, শুরুতে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মাত্র ৩ শতাংশ ক্ষমতায় চালানো হবে। পরে ধাপে ধাপে উৎপাদন ২০ থেকে ৩০ শতাংশে নেওয়া হবে। সব পরীক্ষা সন্তোষজনক হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে। ডিসেম্বরের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পরও প্রায় ৭ থেকে ৮ মাস পরীক্ষামূলকভাবে কেন্দ্রটি চালানো হতে পারে। সব পরীক্ষা শেষ হলে পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে যাবে প্রথম ইউনিট।
রূপপুরের প্রথম ইউনিট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় বিশ্বের ৩৩তম দেশ হবে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন একটি উৎস যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি পারমাণবিক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতারও নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]