নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রবাসী জামায়াত কর্মী ফুফার স্ত্রীর বিছানায় পুত্রের হাতে আটক শিবির নেতাকে হাঁসুয়ার কোপ, বাড়িতে আগুন
পাহাড়ে নির্মম খুন: কক্সবাজারে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
নাম বদলে ‘উজ্জ্বল’ থেকে ‘আয়াস’: জুলাই চেতনার বড়ি বেচে চাঁদাবাজি-মবের হোতা
সকালে চা খেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে যুবককে এলোপাতাড়ি গুলি, কুপিয়ে হত্যা
পুলিশকে পাথর মেরে আসামি ছিনতাই
রাত-বিরাতে ছাত্রকে ‘কাছে পেতে’ জীনের ভয় দেখাতেন মুহতামিম, অতঃপর…
থেমে নেই চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই, বেড়েছে হত্যাও
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জনরোষের বিপরীতে পুলিশ প্রশাসনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি। সাধারণ মানুষ বলছেন, আগস্টের পর বিভিন্ন জেলায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ বাড়ছে। ঘটছে হত্যার মতো ঘটনাও।
গত ৫ মাসে কুষ্টিয়ায় অন্তত ১৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে দৌলতপুরে ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন, একই এলাকায় আপন দুই ভাই ও জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, পদ্মায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনা বেশ আলোচিত।
গত ৫ আগস্টের পর পুলিশকে ঢেলে সাজানো হলেও থেমে নেই চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি। মাদক কারবারিরাও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ অনেকের।
কুষ্টিয়ার স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, ‘স্বয়ং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিজেরাও কিন্তু নিরাপদ না। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কর্তব্যকাজ করতে দিয়ে হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হয়েছে।’
কুষ্টিয়া জেলা সনাকের সভাপতি রফিকুল আলম টুকু বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি এতোটাই নিম্ন পর্যায়ে চলে গেছে যে এখন দিনের বেলায়ও মানুষ ঘর থেকে বের হতে ভয় পায়। সন্ধ্যার পরে তো অহরহ ঘটনা ঘটছে।’
সবার সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানাচ্ছেন জেলা প্রশাসক।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এসি ল্যান্ডসহ আমাদের যেসব ম্যাজিস্ট্রেট আছেন ওনারাও সে বিষয়গুলো দেখবেন বলে তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
রংপুর শহরে ৫ মাসে ৪টি হত্যাকাণ্ড ছাড়াও প্রায় ৩০টি চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে তেমন কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
জেলাটির একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘অনেকদিন হয়ে যাচ্ছে কিন্তু পুলিশ প্রশাসন তাদের কোনো সাহায্য পাচ্ছি না।’
ফেনীতে আগস্টের পর ১৫টি খুন, ৩৯টি চুরি, ১৭টি ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি মুহুরি প্রজেক্ট এলাকায় পরিবার নিয়ে ঘুরতে গিয়ে অস্ত্রের মুখে সর্বস্ব হারান এক রেল কর্মকর্তা। তবে আগের চেয়ে পরিস্থিতি ভালো বলে দাবি পুলিশের।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে দোকান বন্ধ করে ওরা যখন যায়, রাতের বেলা তখন চুরি হয় তালা কেটে। বাসা বাড়ি সব জায়গাতেই চুরি ডাকাতি হচ্ছে।’
ফেনীর পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক আছে। মানুষের সাধারণ জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা আছে। আমাদের অব্যাহত চেষ্টা চলছে।’
পুলিশ জানায়, ফেনীতে বিভিন্ন অভিযোগে ১ হাজার ৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]