ওজন কমানোর ওষুধ নেওয়ার আগে যা জানা জরুরি – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ৩ এপ্রিল, ২০২৬
৭:১৭ অপরাহ্ণ
93 ভিউ

ওজন কমানোর ওষুধ নেওয়ার আগে যা জানা জরুরি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ এপ্রিল, ২০২৬ | ৭:১৭ 93 ভিউ
বর্তমানে দ্রুত ওজন কমানোর জন্য অনেকেই নতুন ধরনের ওষুধের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে সেমাগ্লুটাইড বা তিরজেপাটাইড। যেগুলো বাজারে ওজেম্পিক ও মোঞ্জারো নামে বেশি পরিচিত। এসব ওষুধ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এগুলো কোনো ‘ম্যাজিক সমাধান’ নয়। দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে জীবনধারার পরিবর্তনও সমান জরুরি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ওজন কমানোর এসব ওষুধ মূলত শরীরের ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। এগুলো শরীরে এমন হরমোনের মতো কাজ করে, যা মস্তিষ্ককে জানায় যে পেট ভরে গেছে। ফলে খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যায় এবং ধীরে ধীরে ওজন কমতে শুরু করে। অনেক ক্ষেত্রে ৭২ সপ্তাহে ১৪ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ওজন কমার ফল পাওয়া গেছে। তবে প্রায় ১০–১৫ শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রে তেমন ফল পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর এই ওষুধ ব্যবহার শুরু করলে অনেক সময় দীর্ঘদিন তা চালিয়ে যেতে হয়। কারণ বেশিরভাগ মানুষ ওষুধ বন্ধ করার পর আবার দ্রুত ওজন বাড়তে দেখেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ওষুধ বন্ধ করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওজন বাড়তে শুরু করতে পারে এবং এক বছরের মধ্যে হারানো ওজনের প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ফিরে আসতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা। কম ক্ষুধা লাগার কারণে অনেকেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করতে ভুলে যান। যা দীর্ঘমেয়াদে পেশি ক্ষয়, দুর্বলতা বা পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল গ্রহণ করা জরুরি। ওজন কমানোর ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। এর মধ্যে বমি বমি ভাব, হজমের সমস্যা, গলস্টোন, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহের ঝুঁকিও দেখা গেছে। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে পেশি কমে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তবে গবেষণায় কিছু ইতিবাচক দিকও উঠে এসেছে। কিছু ক্ষেত্রে এসব ওষুধ হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, ভালো ঘুমে সহায়তা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে হলে ওজন কমানোর ওষুধকে একমাত্র সমাধান হিসেবে দেখা ঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম এবং দীর্ঘমেয়াদি জীবনধারার পরিবর্তন—এই তিনটির সমন্বয়েই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে গৃহবধূর মরদেহ ধর্ষণের চেষ্টা, চালক আটক স্বাস্থ্যমন্ত্রী: বিএনপি সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশে বিভিন্ন সংকট সৃষ্টি করছে আওয়ামী দোসররা আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন মেসি অচেতন করে গণধর্ষণের পর তরুণীকে হাসপাতাল থেকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় যুবদল সম্পাদকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভারতে আটক থাকা ফয়সাল ‘বাংলাদেশ ত্যাগ করতে পারবেন না’, নিষেধাজ্ঞা জারি খুলনায় ভাড়াটে খুনিদের হাতে হাতে থানা লুটের অস্ত্র: ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণসহ ৬ মাসে প্রাণ গেল ৩৭ জনের সাতকানিয়ায় মোটরসাইকেল থামিয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পিচ্চি জাহেদকে কুপিয়ে হত্যা কমিটিতে বিএনপি নেতার পছন্দের লোক বসাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক বিকাশ দাশ লাঞ্ছিত সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ৯টি ইয়াবা সেবনের দাবি পুলিশের, কিন্তু ডোপ টেস্টে শরীরে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব! ২১ বছরের সম্পর্কের ইতি: লেস্টার ছেড়ে শেফিল্ড ইউনাইটেডে হামজা সাবস্টেশন প্রকল্পে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, না পেয়ে ভাঙচুর: বিএনপি সভাপতিসহ পদধারী ৪ নেতা গ্রেপ্তার ‘অবিশ্বাস্য চুক্তিতে’ বাংলাদেশকে প্রথম দফায় ১৪টি বোয়িং বেচতে পারায় ট্রাম্পকে প্রশংসায় ভাসালেন গোর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ এমপির বাড়ি লুটতে গিয়ে ‘শহীদ’ জুলাই কর্মীর পিতা সেপটিক ট্যাংকে পড়ে নিহত একটির খরচে ৫টি মেট্রোরেল- স্বপ্নই রয়ে গেল: দুই রুটের ব্যয় আওয়ামী আমলের দ্বিগুণেরও বেশি রাজধানীতে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, নারীসহ আহত ৩; নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত সাধারণ মানুষ হাঙ্গেরিতে চুরি করা বিমান নিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার চেষ্টা, রুখে দিল যুদ্ধবিমান উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের অযুহাতে ইউনূসের বন্ধ রাখা তেল বিদ্যুতকেন্দ্র গুলোতেই লোডশেডিং এর সমাধান খুঁজছে সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি: বাংলাদেশ বাড়াচ্ছে বোয়িং উড়োজাহাজের অর্ডার, নতুন চুক্তির ঘোষণা ভারতে নিয়োজিত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ১ কোটি কর্মসংস্থানের সরকারি মূলা ও বাস্তবতা: বিশ্বব্যাংক বলছে কর্মহীন হবেন ৬ লাখ মানুষ, বাড়বে দারিদ্র ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চার ঘন্টা যানজটে আটকে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু