ওজন কমানোর ওষুধ নেওয়ার আগে যা জানা জরুরি – বর্ণমালা টেলিভিশন

ওজন কমানোর ওষুধ নেওয়ার আগে যা জানা জরুরি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ April, ২০২৬ | ৭:১৭ 120 ভিউ
বর্তমানে দ্রুত ওজন কমানোর জন্য অনেকেই নতুন ধরনের ওষুধের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে সেমাগ্লুটাইড বা তিরজেপাটাইড। যেগুলো বাজারে ওজেম্পিক ও মোঞ্জারো নামে বেশি পরিচিত। এসব ওষুধ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এগুলো কোনো ‘ম্যাজিক সমাধান’ নয়। দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে জীবনধারার পরিবর্তনও সমান জরুরি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ওজন কমানোর এসব ওষুধ মূলত শরীরের ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। এগুলো শরীরে এমন হরমোনের মতো কাজ করে, যা মস্তিষ্ককে জানায় যে পেট ভরে গেছে। ফলে খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যায় এবং ধীরে ধীরে ওজন কমতে শুরু করে। অনেক ক্ষেত্রে ৭২ সপ্তাহে ১৪ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ওজন কমার ফল পাওয়া গেছে। তবে প্রায় ১০–১৫ শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রে তেমন ফল পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর এই ওষুধ ব্যবহার শুরু করলে অনেক সময় দীর্ঘদিন তা চালিয়ে যেতে হয়। কারণ বেশিরভাগ মানুষ ওষুধ বন্ধ করার পর আবার দ্রুত ওজন বাড়তে দেখেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ওষুধ বন্ধ করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওজন বাড়তে শুরু করতে পারে এবং এক বছরের মধ্যে হারানো ওজনের প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ফিরে আসতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা। কম ক্ষুধা লাগার কারণে অনেকেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করতে ভুলে যান। যা দীর্ঘমেয়াদে পেশি ক্ষয়, দুর্বলতা বা পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল গ্রহণ করা জরুরি। ওজন কমানোর ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। এর মধ্যে বমি বমি ভাব, হজমের সমস্যা, গলস্টোন, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহের ঝুঁকিও দেখা গেছে। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে পেশি কমে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তবে গবেষণায় কিছু ইতিবাচক দিকও উঠে এসেছে। কিছু ক্ষেত্রে এসব ওষুধ হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, ভালো ঘুমে সহায়তা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে হলে ওজন কমানোর ওষুধকে একমাত্র সমাধান হিসেবে দেখা ঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম এবং দীর্ঘমেয়াদি জীবনধারার পরিবর্তন—এই তিনটির সমন্বয়েই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
শিক্ষাসহ ৩ সচিবকে সিনিয়র পদমর্যাদা দিল সরকার কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ভাঙচুর দিল্লিতে আবারও জড়ো হওয়ার আহ্বান অভিজিৎ দীপকের গঙ্গা চুক্তি নবায়নে সিদ্ধান্ত হয়নি, ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ উদ্বোধনের আশা হরমুজে ২ হাজার ৫০০ কনটেইনারসহ জাহাজডুবি জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দিন শুরু যেভাবে— নাশতা বানান, বাসনও মাজেন ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী বিশ্বজুড়ে ডিজেল সংকট থাকবে কতদিন, জানাল আইইএ ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন, দেশে ভরি কত? চাঁদাবাজী-ছিনতাইয়ের অভয়ারণ্যে বেঁচে ফেরাকে ‘কপাল জোরে বেঁচে গেলাম’ বললেন এভারেস্ট জয়ী বাবর আলী ‘জয় বাংলা’কে দাবিয়ে রাখা যাবে না’: আদালত চত্বরে জামিন পেয়েই গর্জে উঠলেন আইভী বিদেশি পর্যটকদের জন্য বিশেষ ‘রেড জোন’ করা হবে, মিলবে ‘সবকিছু’ নোবেল জয়ের ২০ বছরে ইউনূস: অভিনন্দনের দিনেও হামে শিশুমৃত্যু থামেনি, সরকারি হিসাবেই ১,১৭০ ছাড়ালো শিশু মৃত্যুর সংখ্যা সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে হুথি ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা, যৌথ সহয়তা’র ‘মক্কা জোট’ যৌথ নিন্দা প্রকেশেই সীমিত টঙ্গীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কারখানা পুড়ে ছাই: মার্কিন ওষুধ-চুক্তির সাথে একসূত্রে গাঁথা? প্রশ্ন কর্মচারীদের নোয়াখালীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নোয়াখালীতে একদিনে দুই মৃত্যু: চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, সোনাইমুড়ীতে মাঠে মিলল প্রবাসীর মরদেহ যা দেখছেন চোখের সামনে, পর্দার পেছনের বাস্তবতা কেমন – সেটা কি জানেন? দৌলতপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত