ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করবেন যেভাবে – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
৩:০৬ অপরাহ্ণ
128 ভিউ

ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করবেন যেভাবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৩:০৬ 128 ভিউ
সারা দিন রোজা রাখার পর সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান শুনে ইফতারি করা হয়। এ সময় শরীরে ভর করে রাজ্যের ক্লান্তি। আপনি সারা দিন রোজা থেকে ইফতারের সময় টেবিলে রাখা মজার খাবারগুলো পেটপুরে খেয়ে নিলেন, এর পর ভাবছেন মুহূর্তেই শক্তিশালী হয়ে যাবেন? আপনার প্রত্যাশা এমনটা থাকলেও আসলে তা হয় না। কারণ ইফতারি খাওয়ার পর পরই আপনার ক্লান্তি লাগতে শুরু করে। সারা দিন উপবাসের পর একগাদা খাবার একসঙ্গে খাওয়ার কারণে তা হজমে সময় লাগে। আর তাতেই ক্লান্ত হয়ে যায় আমাদের শরীর। তা হলে ইফতারে কী খাবেন। আর কী করলে ক্লান্তি লাগবে না। চলুন জেনে নিই এমন কিছু উপায়, যা মেনে সহজেই এড়ানো যাবে ইফতারের পরের ক্লান্তি– পানিশূন্যতা দূর করুন সারা দিন পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে খুব স্বাভাবিকভাবেই আমাদের শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এর পর ইফতারে তেলে ভাজা আর বিভিন্ন মসলাদার খাবার খাওয়া হয়। ফলে পানির ঘাটতি পূরণ হয় না। ইফতারের পর প্রচুর পানির দরকার হয় শরীরের। তাই বিভিন্ন ফল, ফলের রস, শরবত, ডাবের পানি ইত্যাদি খান। এতে শরীরে পানির ঘাটতি দূর হবে। একসঙ্গে অনেক খাবার খাবেন না ইফতারে একসঙ্গে অনেক বেশি খাবার খাবেন না। একবারে অনেক বেশি খাবার খাওয়া সারা দিন রোজা থাকার পর ক্লান্তি লাগার একটি বড় কারণ। আপনি ক্ষুধার্ত ঠিক আছে, তবে পেটকেও সময় দিতে হবে হজম করতে। তাই একসঙ্গে অনেক বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খান। কিছুক্ষণ পর পর খান। এতে শরীর খুব একটা ক্লান্ত হবে না। খাবার হজমের জন্যও পর্যাপ্ত সময় পাবে। নামাজ পড়ে নিন ইফতারের শুরুতে একটি খেজুর ও এক গ্লাস পানি খেয়ে মাগরিবের নামাজ পড়ে নিন। এতে নামাজ সময়মতো আদায় হয়ে যাবে এবং ততক্ষণে আপনার পেটও খাবার হজমের জন্য তৈরি হবে। নামাজ শেষ করে ইফতারের বাকি খাবার খাবেন। যারা এভাবে খেয়ে অভ্যস্ত, তারা তুলনামূলক অনেক কম ক্লান্ত হন। চা কিংবা কফি রোজায় চা কিংবা কফি পানের অভ্যাস বাদ দেন অনেকে। তবে ইফতারের পর ক্লান্তি কাটানোর জন্য এক কাপ চা কিংবা কফি পান করতে পারেন। কারণ এ ধরনের পানীয়তে থাকা ক্যাফেইন আপনাকে ভেতর থেকে সতেজ রাখতে কাজ করে। তবে এই চা কিংবা কফি যেন খুব কড়া না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন ইফতারের পর পরই শুয়ে-বসে থাকবেন না। বরং স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন। আমাদের শরীর আমাদের মনের কথা শুনে চলে। তাই নিজেকে ক্লান্ত ভাববেন না। বরং ইফতারের পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন। এতে ক্লান্তি দূর হবে সহজেই। একই সঙ্গে হজমও ভালো হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে গৃহবধূর মরদেহ ধর্ষণের চেষ্টা, চালক আটক স্বাস্থ্যমন্ত্রী: বিএনপি সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশে বিভিন্ন সংকট সৃষ্টি করছে আওয়ামী দোসররা আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন মেসি অচেতন করে গণধর্ষণের পর তরুণীকে হাসপাতাল থেকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় যুবদল সম্পাদকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভারতে আটক থাকা ফয়সাল ‘বাংলাদেশ ত্যাগ করতে পারবেন না’, নিষেধাজ্ঞা জারি খুলনায় ভাড়াটে খুনিদের হাতে হাতে থানা লুটের অস্ত্র: ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণসহ ৬ মাসে প্রাণ গেল ৩৭ জনের সাতকানিয়ায় মোটরসাইকেল থামিয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পিচ্চি জাহেদকে কুপিয়ে হত্যা কমিটিতে বিএনপি নেতার পছন্দের লোক বসাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক বিকাশ দাশ লাঞ্ছিত সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ৯টি ইয়াবা সেবনের দাবি পুলিশের, কিন্তু ডোপ টেস্টে শরীরে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব! ২১ বছরের সম্পর্কের ইতি: লেস্টার ছেড়ে শেফিল্ড ইউনাইটেডে হামজা সাবস্টেশন প্রকল্পে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, না পেয়ে ভাঙচুর: বিএনপি সভাপতিসহ পদধারী ৪ নেতা গ্রেপ্তার ‘অবিশ্বাস্য চুক্তিতে’ বাংলাদেশকে প্রথম দফায় ১৪টি বোয়িং বেচতে পারায় ট্রাম্পকে প্রশংসায় ভাসালেন গোর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ এমপির বাড়ি লুটতে গিয়ে ‘শহীদ’ জুলাই কর্মীর পিতা সেপটিক ট্যাংকে পড়ে নিহত একটির খরচে ৫টি মেট্রোরেল- স্বপ্নই রয়ে গেল: দুই রুটের ব্যয় আওয়ামী আমলের দ্বিগুণেরও বেশি রাজধানীতে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, নারীসহ আহত ৩; নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত সাধারণ মানুষ হাঙ্গেরিতে চুরি করা বিমান নিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার চেষ্টা, রুখে দিল যুদ্ধবিমান উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের অযুহাতে ইউনূসের বন্ধ রাখা তেল বিদ্যুতকেন্দ্র গুলোতেই লোডশেডিং এর সমাধান খুঁজছে সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি: বাংলাদেশ বাড়াচ্ছে বোয়িং উড়োজাহাজের অর্ডার, নতুন চুক্তির ঘোষণা ভারতে নিয়োজিত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ১ কোটি কর্মসংস্থানের সরকারি মূলা ও বাস্তবতা: বিশ্বব্যাংক বলছে কর্মহীন হবেন ৬ লাখ মানুষ, বাড়বে দারিদ্র ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চার ঘন্টা যানজটে আটকে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু