নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৪৫তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি, ৫৫ জন বাদ
এনবিআরের ২ কর্মীর কাছে আসে প্রশ্নপত্র, পরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় উত্তরসহ: এসআরবি
বাজারে ক্রেতাদের ক্ষোভ: “আলহামদুলিল্লাহ, পেঁপে-কুমড়া এখনও ৮০ টাকার নিচে, তারেক ভাইয়াকে ধন্যবাদ”
‘ব্লাডমানি’ দিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় বাংলাদেশির জীবন রক্ষা করেছিল শেখ হাসিনার সরকার, অথচ অলক্ষ্যে সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
সরকারি জমি দখল করে জামায়াত আমির বললেন, “এখন আমাদের সময়”
‘জুলাইবিরোধী’ ভূমিকায় অভিযুক্ত, ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
শ্রীলঙ্কার তৎপরতায় সৌদিতে নবী অবমাননায় লংকান যুবকের মৃত্যুদণ্ড রদ, অথচ বাংলাদেশি প্রেমিক যুগলের মৃত্যুদণ্ডে বেখবর মিশন ও দুই মন্ত্রণালয়
ফ্রান্সে জুলাই৩৬ঃ ছাত্র আন্দোলনে উত্তেজনা চরমে, এক দিনে প্রায় ২ হাজার গ্রেপ্তার
ফ্রান্সজুড়ে হাইস্কুল বা লিসে শিক্ষার্থীদের অবরোধ আন্দোলন নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সারা দেশে ১ হাজার ৯৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বেশির ভাগই সরকারি কর্তৃপক্ষের ওপর হামলার অভিযোগে। একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ওই দিন স্কুলগুলোর সামনে ৯০০টি কর্মসূচি হয়েছে এবং দেশের সব বিভাগই (ডিপার্টমেন্ট) এখন আন্দোলনের আওতায়।
২৮ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন ইল-দ্য-ফ্রাঁসের বাইরে ছড়াতে শুরু করে। মার্সেই, লিল, রোন, ভার ও আলপ-মারিতিমেও কর্মসূচির খবর আসে। ৩০ সেপ্টেম্বর সরকারি হিসাবে ৩৫৬টি প্রতিষ্ঠান আন্দোলনের আওতায় ছিল। বৃহস্পতিবারও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। এক্স-অ্যাঁ-প্রভঁসে বিভিন্ন স্কুলের প্রায় ৬০০ তরুণ জড়ো হন। মেৎসে সকালে ছয়টি স্কুল অবরুদ্ধ ছিল এবং পুলিশ সকাল ১১টার দিকে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে।
গ্রেপ্তার ও আহতের সংখ্যা
গ্রেপ্তারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ২৮ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হয় ১৬৪ জন, ২৯ সেপ্টেম্বর ৪৪০ জন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ জানান, মঙ্গলবারের গ্রেপ্তারদের বেশির ভাগই অপ্রাপ্তবয়স্ক। সহিংসতায় হতাহতও হয়েছে। মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বরের ঘটনায় ৮৩ জন পুলিশ ও জান্দারম আহত হন। আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্থিরতা শুরুর পর থেকে ১১৯ জন শিক্ষার্থী ও কর্মী আহত হয়েছেন।
নিষেধাজ্ঞা
পরিস্থিতি সামাল দিতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আশপাশে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছেন বিভিন্ন প্রিফেক্ট (স্থানীয় প্রশাসনিক প্রধান)।
ছবিতে দেখা গেছে, তুলুজে বিক্ষোভকারীরা জ্বলন্ত আবর্জনার পাশ দিয়ে হাঁটছেন, পেছনে দাঙ্গা পুলিশ (সিআরএস)। শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপরিবেশের বেহাল দশার প্রতিবাদ করছে বলে জানানো হয়েছে। তবে সব স্থানের দাবি এক নয়। মার্সেইয়ে দমকলকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় এক স্থানীয় মধ্যস্থতাকারী বলেছেন, সংশ্লিষ্ট তরুণদের বিশেষ কোনো দাবি ছিল না।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]