পৌষের শেষে হাড়-কাঁপানো শীত, তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ৭ January, ২০২৬
৮:১০ am
133 ভিউ

আরও খবর

বঙ্গোপসাগরের ভূরাজনীতিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড-এনসিটি চুক্তির অর্থ কী?

ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছেই গেল এনসিটি

রূপপুরে প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি

১০ দিনে চেলা নদীর পাড় কেটে ২৫ লাখ ঘনফুট বালু খেয়ে নিল বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা

২০ হাজার শ্রমিকের উদ্বেগ-প্রতিবাদ উপেক্ষা করে ১৫ বছরের চুক্তি সম্পন্নঃ DP World-এর হাতে তুলে দেয়া হলো এনসিটি

‘সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছি ধরে নেবেন না’- ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কড়া জবাব

​‘উত্তেজনার বশে মামলা করেছিলাম’: ভুল স্বীকার করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা তুলে নিলেন বাদী কফিল উদ্দিন

পৌষের শেষে হাড়-কাঁপানো শীত, তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ January, ২০২৬ | ৮:১০ 133 ভিউ
পৌষের শেষভাগে এসে দেশের ওপর জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের দাপটে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ; ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় চারপাশ। আবহাওয়া অফিস এটিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ রাজশাহীসহ দেশের ১০টি জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। অন্য জেলাগুলো হলো– পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা। এর আগে চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় গত ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে– ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত রংপুর অঞ্চল। দিনের পর দিন সূর্যের দেখা নেই। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যান চলাচল করতে হচ্ছে। খেটে খাওয়া মানুষ কাজ হারাচ্ছেন, আর হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর চাপ। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, শীতের প্রকোপ বাড়ার পর গত দুই সপ্তাহে ১৬ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে সাতজন বয়স্ক ও ৯ জন শিশু। তারা নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, ব্রংকাইটিসসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি বলেন, এ সময়ে শিশু ও বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তাই গরম কাপড় ব্যবহার, কুসুম গরম পানি পান ও অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। রাজশাহীতে তীব্র শীতের কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও ছিন্নমূল মানুষ। শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশির প্রকোপ বাড়ছে। দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে টানা তিনদিন সূর্যের দেখা নেই। তেঁতুলিয়ায় আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয়েছে চলতি মৌসুমের তৃতীয় দফার শৈত্যপ্রবাহ। হালকা কুয়াশা আর হিমশীতল বাতাসে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। চুয়াডাঙ্গায় আজ সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। এটি চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। শহরের বিভিন্ন মোড়ে নিম্ন আয়ের মানুষদের আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। পাবনার ঈশ্বরদীতেও তাপমাত্রা নেমেছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীদের জন্য শয্যা সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। অনেক হাসপাতালে মেঝে ও বারান্দায় রোগীদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। মেহেরপুরে আজ মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এ বছর জেলার সর্বনিম্ন। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে ভোর থেকেই মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যান চলাচল করছে। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, আগামী তিন থেকে চার দিন তাপমাত্রা কিছুটা ওঠানামা করতে পারে। তবে ১০ বা ১১ জানুয়ারির পর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা আছে। কুয়াশার কারণে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। জানুয়ারি মাসজুড়েই শীতের প্রভাব থাকবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বঙ্গোপসাগরের ভূরাজনীতিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড-এনসিটি চুক্তির অর্থ কী? ভারতে ক্যানসার ওষুধের দাম কমতে পারে ৭০ শতাংশ ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছেই গেল এনসিটি রূপপুরে প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি ১০ দিনে চেলা নদীর পাড় কেটে ২৫ লাখ ঘনফুট বালু খেয়ে নিল বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা ১০ এয়ারবাস ক্রয়ের চুক্তি করলো বিমান; অথচ বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কায় বিশ্বব্যাংক-এডিবি ২০ হাজার শ্রমিকের উদ্বেগ-প্রতিবাদ উপেক্ষা করে ১৫ বছরের চুক্তি সম্পন্নঃ DP World-এর হাতে তুলে দেয়া হলো এনসিটি ‘সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছি ধরে নেবেন না’- ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কড়া জবাব ​‘উত্তেজনার বশে মামলা করেছিলাম’: ভুল স্বীকার করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা তুলে নিলেন বাদী কফিল উদ্দিন দিলারা চৌধুরী এবং তার স্বামীর বঙ্গবন্ধুবিরোধিতা ও ইতিহাস বিকৃতি’র শেকড় ১৯৭১-এ প্রোথিত অর্থনীতির বেহাল দশা, খাদ্য নিরাপত্তার ঝুকিতে দেশঃ অথচ দেশে আসছে কোটি টাকার চোরাই BMW স্পোর্টস কার সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুথি হামলা: নিহত ৩, আহত ৩৬; আহতদের মধ্যে বাংলাদেশি রামপালে ৪৪২ মে:ও: সৌরবিদ্যুৎঃ উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও সৌদি বিনিয়োগ আওয়ামীলীগ আমলেই; জানালেন সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী হিন্দু পরিচয়ের কারণে ইউনূস আমলে পাসিং আউট প্যারেডের আগে নেভাল একাডেমি থেকে বহিষ্কৃত হন পৃথ্বী নন্দী ধর্মের নামে শিশুকে ভয় দেখানো, নির্যাতন-কে শিশুর মানসিক ক্ষতির কারণ বলছে জাপান সরকার বাণিজ্য চুক্তি ও বিলিয়ন ডলারের ক্রয় সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান হারালো বাংলাদেশ লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট, জ্বালানি সংকটে বন্ধ ৩৫ বিদ্যুৎকেন্দ্র জলপরী দেখতে চলল পুজো-অর্চনা, জালে মিলল সিলভার কার্প মাছ এলপিজি কারসাজির শেষ কোথায় নতুন আলোচনা রিকনসিলিয়েশন