নামছে পানির স্তর, শুষ্ক মৌসুমে সংকটের শঙ্কা – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ জানুয়ারি, ২০২৫
৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ
163 ভিউ

আরও খবর

চট্টগ্রামে নালা থেকে উদ্ধার ১৪শ গুলির বড় অংশই একে-৪৭ ও মেশিনগানের

বালু ব্যবসার দ্বন্দ্বে দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাচেষ্টা বিএনপির অপর গ্রুপের

‘ডিসেম্বরের মধ্যেই নেত্রীকে ফেরাবো’: কক্সবাজারে প্রকাশ্য সভায় ছাত্রলীগের দৃঢ় শপথ

‘নর্দমায় মিলল একে-৪৭-এর বুলেটের স্তূপ! চট্টগ্রামে জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আস্তানার গন্ধ

হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে চুরি, দুই মুসলিম নারীকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম-মধ্যম

ইমামকে সরিয়ে রাজাকার নিজামির পুত্রের জুমা পড়ানো নিয়ে মসজিদে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাস, মুসল্লিরা আহত

রশিতে বেঁধে প্রতিবেশীর দুটি পোষা কুকুরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা, বিচার দাবি স্থানীয়দের

নামছে পানির স্তর, শুষ্ক মৌসুমে সংকটের শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ জানুয়ারি, ২০২৫ | ৬:৪৫ 163 ভিউ
যশোর পৌরসভার ১৪ দশমিক ৭২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মধ্যে অন্তত ১১ হাজার বাড়িতে সাবমারসিবল পাম্প বসানো হয়েছে। মোটর সংযোগ দিয়ে পাম্পের মাধ্যমে প্রতিদিন ভূগর্ভস্থ পানি তুলে ট্যাংকে রিজার্ভ করছেন বহুতল ভবনের মালিকরা। অতিরিক্ত পানি উত্তোলনে তলদেশে ‘ওয়াটার রিচার্জ’ হচ্ছে না। এতে শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে সুপেয় পানি সংকট প্রকট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জানা যায়, যশোর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে পানির গ্রাহক ১৫ হাজার। প্রতিদিন ২ কোটি ৪৪ লাখ ২০ হাজার লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। চাহিদার বিপরীতে প্রতিদিন ২৯টি পাম্প ব্যবহার করে ২ কোটি ১১ লাখ লিটার পানি উত্তোলন করা হয়। প্রতিদিন ৩৩ লাখ লিটার পানির ঘাটতি থাকছে। শুষ্ক মৌসুমে ঘাটতি আরও বাড়ে। অপরদিকে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ১২ হাজারের উপর টিউবওয়েল আছে। শুষ্ক মৌসুমে পৌর এলাকায় পানির স্তর ২৫ থেকে ৩১ ফুট পর্যন্ত নেমে যায়। এ সময় পানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। পৌরসভার সরবরাহ পানির ঘাটতি ও টিউবওয়েল অকেজো থাকায় বেশিরভাগ বাসা বাড়ি সাবমারসিবল পাম্পের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। বহুতল ভবনের মালিকরা সাবমারসিবল কিংবা মোটরের মাধ্যমে পৌরসভার সরবরাহ লাইন থেকে পানি টেনে নিয়ে ট্যাংকে ‘রিজার্ভ’ করেন। এতে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও অপচয় বাড়ছে। পৌরসভার অনুমতি ব্যতীত সাবমারসিবল পাম্প স্থাপন নিষিদ্ধ হলেও কেউ মানছেন না। শহরের রায়পাড়ার বাসিন্দা হেলেনা পারভীন বলেন, বহুতল ভবনের মালিকরা পৌরসভার লাইনে মোটর সংযোগ দিয়ে পানি টেনে নিয়ে ট্যাংকে ভরছেন। এতে অন্য বাসাবাড়ির লাইনে ঠিকমতো পানি আসছে না। আবার পানি এলেও গতি অনেক ধীর; ‘ট্যাপ’ দিয়ে (কল) চুইয়ে চুইয়ে পানি পড়ে। এই অনিয়ম বন্ধ করা উচিত। বিল দিয়েও পানি পাচ্ছি না। অন্যরা আমাদের পানিতে ভাগ বসাচ্ছে। যশোর পৌরসভার নাগরিক আন্দোলনের নেতা জিল্লুর রহমান ভিটু বলেন, পৌরসভা যে পানি সরবরাহ করে তা পান ও রান্নার কাজের অনুপযোগী। তাই বাধ্য হয়েই ভূগর্ভের পানি ব্যবহার করছেন পৌরবাসী। বিকল্প হিসাবে ভূপৃষ্টের বিভিন্ন উৎসের পানি কীভাবে ব্যবহার করা যায়; রাষ্ট্রকে সেটি ভাবতে হবে। যশোর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন) বিএম কামাল আহমেদ বলেন, পানির মান ও চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ পর্যাপ্ত পরিমাণ নিশ্চিত না করা পর্যন্ত সাবমারসিবল বসানো এবং সেটি দিয়ে পানি তোলা বন্ধ করা কঠিন। তিনি বলেন, পানি শোধনের জন্য পৌরসভার তিনটি প্ল্যান্ট আছে। সেগুলো হলো-সিটি কলেজপাড়া, রেলগেট তেঁতুলতলায় ও পালবাড়ি এলাকা। কিন্তু এসব প্ল্যান্টে পানি শোধন করে সরবরাহ করাটা অনেক ব্যয়বহুল। শোধনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হলে পানির যে পরিমাণ বিল ধার্য করতে হবে; সেটি অনেকে দিতে সামর্থ্য হবেন না। এ বিষয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. কেএম দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ১৪ দশমিক ৭২ বর্গ কিলোমিটারের একটি শহরে ১১ হাজার সাবমারসিবল পাম্প পরিমাণে অনেক বেশি। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার এটি একটি বড় কারণ। এত বেশি পরিমাণ সাবমারসিবল পাম্প দিয়ে ওই আয়তনের ভূমির তলদেশ থেকে পানি তোলা হয় বলে শুষ্ক মৌসুমে স্তর অনেক নিচে নেমে যায়। এতে একপর্যায়ে পানির স্তর স্থায়ীভাবে নিচে নেমে যেতে পারে। আর এমনটি হলে-‘অ্যাকুইফার’ অর্থাৎ তলদেশের স্তরের একটি অংশ; যেখান থেকে পানি সংগ্রহ করা হয়; সেখানে ‘স্যালাইনিটি ইনট্রুইশন’ হতে পারে। পুরোপুরি ভাবে লবণাক্ততা চলে আসতে পারে। এভাবে সাবমারসিবল পাম্প দিয়ে পানি তুললে শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি আরও বাড়বে। ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের শঙ্কা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিশ্বকাপ ফাইনালের পরেই রেফারিং ছাড়লেন স্লাভকো ভিনচিচ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কাব্রালের বাঁকানো শট ‘বিশ্বকাপের সেরা গোল’ কোটা সংস্কারের পর বিসিএসে নারীদের নিয়োগে বড় পতন, প্রশ্নের মুখে সংস্কার ভারতের বাংলাদেশ সফর ঝুলে থাকার আবহেই মিরাজের সাক্ষাৎকার: বরফ গলবে কি? ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মার খাননি দাবি করে আম্মার- ‘আমরা মাইর খাইনি, মাইর দিয়েছি’ যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার! কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি চুয়াত্তরেও সেই জাদু রুনা লায়লার কণ্ঠে ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮ কোরআনের দৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত যারা মানুষ কেন নাক খোঁটে জানেন? বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির: দেশের জ্বালানি সংকটের দ্রুত কোনো সমাধান নেই চরম গ্যাস সংকটে উৎপাদনে ধস: সংকটে শিল্প, শঙ্কায় রপ্তানি ও কর্মসংস্থান চট্টগ্রামে নালা থেকে উদ্ধার ১৪শ গুলির বড় অংশই একে-৪৭ ও মেশিনগানের বালু ব্যবসার দ্বন্দ্বে দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাচেষ্টা বিএনপির অপর গ্রুপের মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার?