নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট
বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বাধা, বিক্ষোভ ভারতীয় গ্রামবাসীর
খালেদা জিয়াকে গুলশানের বাড়ির কাগজ দিলেন গণপূর্ত উপদেষ্টা
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়ির নামজারির কাগজ পৌঁছে দিয়েছে সরকার। বুধবার রাত ৯টার দিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান খালেদা জিয়ার হাতে নামজারির কাগজ তুলে দেন। এ সময় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের বলেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সাক্ষাৎ করেছেন। আধা ঘণ্টার মতো তারা ছিলেন। এটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। বাড়ির নামজারির কাগজ হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি বলেন, উপদেষ্টা কিছু কাগজ নিয়ে এসেছিলেন। সেগুলো দিয়েছেন। তবে তা কিসের কাগজ, তা তিনি জানেন না।
জানা যায়, ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর গুলশান এলাকায় দেড় বিঘা জমির ওপর অবস্থিত ওই বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাড়িটি খালেদা জিয়া গুলশানে ‘ফিরোজা’ নামের যে বাড়িতে থাকেন, সেটির কাছেই। এর বাইরে ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরও আরেকটি বাড়ি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সেনানিবাসের বাড়িটির বরাদ্দ বাতিল করে।
সরকারের সূত্র জানায়, গুলশানের বাড়িটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিয়ন্ত্রণেই আছে। তবে তার নামে নামজারি করা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর খালেদা জিয়ার নামে বাড়িটি নামজারি করা হয়।
গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার বাড়ির নামজারির বিষয়টি আগেই সম্পন্ন করেছে সরকার। আনুষ্ঠানিকভাবে নামজারির কাগজটি খালেদা জিয়ার হাতে সরকার তুলে দিতে চেয়েছে। কিন্তু খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে এই আনুষ্ঠানিকতায় দেরি হয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।