অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন: দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, নেই বড় অঙ্কের এলসি খোলার গ্রাহকও – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ৩১ October, ২০২৬
৬:০৯ am
13 ভিউ

অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন: দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, নেই বড় অঙ্কের এলসি খোলার গ্রাহকও

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ October, ২০২৬ | ৬:০৯ 13 ভিউ
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আর্থিক সুবিধা দিতে এখনো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। বিআইবিএম-এর ১১তম ব্যাংকিং সম্মেলনে দেশের ব্যাংক খাতের নানা চ্যালেঞ্জ ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। সম্মেলনে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব, নানা অনিয়ম এবং অর্থপাচারের কারণে দেশের ব্যাংক খাত অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ এবং তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা তৈরি হলেও বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং নীতিগত অনিশ্চয়তার কারণে সেই সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি বলে অভিমত দেন বক্তারা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে পুরোনো সেই সমস্যাগুলো রয়েই গেছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা সবসময় রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোকে অন্যায় সুযোগ-সুবিধা বিতরণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন, যা একটি মারাত্মক সংকট তৈরি করেছে বলে মনে করেন তিনি। এদিকে বিনিয়োগের বর্তমান দুরবস্থা তুলে ধরে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসরুর আরিফিন জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় অঙ্কের এলসি বা ঋণপত্র খোলার মতো গ্রাহক পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঋণের টাকা আটকে থাকায় ব্যাংকগুলোতে তীব্র তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত অবস্থানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ভুল তথ্যের পরিবর্তে বাস্তব পরিস্থিতি এখন সামনে এলেও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি ফেরেনি। ফলে ব্যাংকগুলো বড় অঙ্কের ঋণ বা মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খুলতে হিমশিম খাচ্ছে। সম্মেলনে অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা এই সংকট উত্তরণে কিছু সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে—
  • ব্যাংক খাতে সুশাসন ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা।
  • কঠোরভাবে খেলাপি ঋণ আদায় করা।
  • বিনিয়োগমুখী ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি করা এবং
  • নীতিগত দুর্বলতা দূর করা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করা।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাতীয় জমির বাণিজ্যিকীকরণে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে ঢাকা প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূর করতে হবে একাকিত্ব জার্মানির নানা শহরে ব্যাপক ‘জেন জি’ বিক্ষোভ কৃষিমন্ত্রী সারসংকট নিয়ে বললেন, ‘এখানে দুষ্টু লোক আছে’ আর্থিক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংকের ৪৫ কোটি ডলার ঋণ এইচএসসির ফল প্রকাশের দিনে ছেলের শোকে ভেঙে পড়লেন বাবা বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন: কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনির প্রথম বৈঠক ইসরায়েলে নতুন সরকার গঠনের দাবিতে রাজপথে হাজারো মানুষ সৌদি আরবে আগুনে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের লাশ তিন মাস পর বাড়িতে পৌঁছেছে সরকার যদি জনগণের মত অগ্রাহ্য করে, তা চরম মূল্যে দেবে: শফিকুর রহমান প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের চরিত্র নয়’, দেশে ফেরা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই: শেখ হাসিনা ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, মিরপুরে সড়ক অবরোধ বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়ন হয়নি—টুকুর বক্তব্যের প্রতিবাদে বিপু, মনে করিয়ে দিলেন কানসাটের ১৭ প্রাণহানির ঘটনা বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিল জাতিসংঘ, নতুন সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর ফিরতে আমাকে হবেই, আকাশ আমার ছাদ আর মাটি হবে ঘর’— গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য