নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের সরকার উৎখাতের হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর
দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় নির্বাচনে মুসলিমদের ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রেসিডেন্টের
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে হামলা, জরুরি সতর্কতা জারি
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ নথিতে যা আছে
ফ্রান্সের পথ ধরে এবার বড় ধরনের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র, নেপথ্যে দুই কারণ
ইউক্রেনের সঙ্গে মেক্সিকান ড্রাগ কার্টেলের যোগসাজশ তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি রুশ গোয়েন্দা সংস্থার
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতায় তেহরানে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির
কম্বোডিয়ার বন্দিদশা থেকে মুক্ত ৩০ বাংলাদেশি দেশে
কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার পথে আটক হওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা। এই ৩০ বাংলাদেশি কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। ৩ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার উদ্দেশে নমপেন বিমানবন্দরে গেলে তাদেরসহ ৩২ বাংলাদেশিকে আটক করে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন আটক ছিলেন।
দেশে ফেরা বাংলাদেশিরা হলেন- হারুন অর রশীদ, আব্দুল ওয়াদুদ, তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, লাবণ শেখ, আবদুর রহমান, বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, ইমন আলী, বারকাতুল্লাহ, রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূইঁয়া, মো. রাশেদুল, আকাশ আহমেদ, শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।
জানা যায়, আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালাল চক্রের মাধ্যমে এসব বাংলাদেশিকে কম্বোডিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। সেখানে যাওয়ার পর তাদের জোর করে সাইবার স্ক্যামিং বা অনলাইন প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হতো। সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের নির্যাতনের শিকার হতে হয়।
কম্বোডিয়া সরকার নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে ওই বাংলাদেশিরা নাম তালিকাভুক্ত করেন। সে অনুযায়ী ৩ সেপ্টেম্বর তারা নমপেন বিমানবন্দরে যান। তবে ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধভাবে অবস্থানসহ বিভিন্ন জটিলতায় তাদের আটক করা হয়। আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি ও দ্রুত দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে চিঠি দেওয়া হয়।
বোর্ডের উপপরিচালক (আইআরপি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের মুক্তি ও দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। পরে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মঙ্গলবার দেশে ফেরেন তারা।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]